বাঙালির ঐতিহ্য নিজেদের ধারণের পাশাপাশি ভবিষৎ প্রজন্মকে জানানো ও বিশ্বের কাছে তুলে ধরার আহ্বান জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।
শনিবার রাজধানীর ওসমানী স্মৃতি মিলনায়তনে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা আনুষ্ঠানিকভাবে একুশে পদক প্রদান অনুষ্ঠানে এ কথা বলেন তিনি।
গত সাত বছরে দেশকে একটি মর্যাদার আসনে এনে দিতে পেরেছি, দেশের মানুষের ভেতর মর্যাদাবোধ তৈরি করে দিতে পেরেছি, এটাই আমাদের বড় অর্জন বলে জানান শেখ হাসিনা।
তিনি বলেন, একুশে পদক বিতরণ অনুষ্ঠানে পদকপ্রাপ্তদের হাতে তাদের সম্মাননা তুলে দিয়ে শেখ হাসিনা বলেন আমি আশা করি আপনাদের মাধ্যমে দেশের মর্যাদা আরও বাড়বে— ভবিষ্যত প্রজন্স উজ্জীবিত হবে।
প্রধানমন্ত্রী আরো বলেন, আমরা দেশের মানুষের মধ্যে মর্যাদাবোধ ফিরিয়ে আনতে পেরেছি, তাদের আত্মবিশ্বাস ফিরে এসেছে।
নিজ নিজ ক্ষেত্রে অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ ১৬ জন বিশিষ্ট নাগরিকের হাতে একুশে পদক তুলে দেন প্রধানমন্ত্রী।
এবছর পদকের জন্য মনোনীত ব্যক্তিরা হলেন: ভাষা আন্দোলনে বিচারপতি কাজী এবাদুল হক, ডা. সাঈদ হায়দার, প্রায়ত সৈয়দ গোলাম কিবরিয়া, ড. জসিম উদ্দিন; শিল্পকলায় (টিভি ও চলচ্চিত্র) বেগম জাহানারা আহমেদ, শিল্পকলায় (শাস্ত্রীয় সংগীত) পন্ডিত অমরেশ রায় চৌধুরী, শিল্পকলায় (সংগীত) শাহীন সামাদ, শিল্পকলায় (নৃত্য) আমানুল হক; সাংবাদিকতায় তোয়াব খান; গবেষণায় অধ্যাপক ডা. এবিএম আব্দুল্লাহ্, মংছেন চীং মংছিন্; ভাষা ও সাহিত্যে জ্যোতিপ্রকাশ দত্ত, ড. হায়াৎ মাহমুদ, হাবীবুল্লাহ সিরাজী।
পদক বিজয়ী প্রত্যেককে ১৮ ক্যারেট মানের ৩৫ গ্রাম স্বর্ণপদক এবং নগদ দুই লাখ করে টাকা দেয়া হয়।
গত ১০ ফেব্রুয়ারি সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য নিশ্চিত করে।