ম্যাচ ফিক্সিং ও পরিচালনা কাঠামোতে সুশাসনের ঘাটতির কারণে দুর্নীতির ঝুঁকিতে রয়েছে বাংলাদেশসহ বিশ্ব ক্রীড়াঙ্গন বলে অভিযোগে করেছেন ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশের (টিআইবি) নির্বাহী পরিচালক ড. ইফতেখারুজ্জামান।
মঙ্গলবার দুপুরে রাজধানীর ধানমন্ডিতে ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল-টিআইয়ের গ্লোবাল করাপশন প্রতিবেদনে এবার বিষয় ‘বিশ্ব ক্রীড়াঙ্গে দুর্নীতি’ রিপোর্ট প্রকাশ উপলক্ষে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে তিনি এ কথা বলেন।
বিসিবির পরিচালনা কাঠামোয় ৯ ধরণের ঘাটতির কথা উল্লেখ করে বাংলাদেশের ক্রিকেট অঙ্গনে জবাবদিহিতা প্রতিষ্ঠায় ন্যায়পাল নিয়োগের সুপারিশ করে— ইফতেখারুজ্জামান বলেন, তবে আর্থিক দুর্নীতির কোন সুনির্দিষ্ট তথ্য টিআইয়ের কাছে নেই।
টিআইয়ের প্রতিবদনে বলা হয়, বিশ্ব ক্রীড়াঙ্গনের পাশাপাশি বাংলাদেশের ক্রীড়াঙ্গনও দুর্নীতির ঝুঁকিতে রয়েছে। বিশেষ করে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের পরিচালনা কাঠামোতে সচ্ছতা ও জবাবদিহীতার অভাব, রাজনৈতিক হস্তক্ষেপ, পরিচালনা পর্ষদ নিয়োগে অসচ্ছতা, দুর্নীতি প্রতিরোধে যথাযথ আইনের অভাবসহ ৯ ধরণের ঘাটতি চিহ্নিত করেছে টিআই।
তবে এসব ঘাটতির কথা বললেও, নিয়ম বহির্ভূত কোন আর্থিক লেনদেন বা দুর্নীতির বিষয়ে সুনির্দিষ্ট কোন তথ্য দেয়নি প্রতিষ্ঠানটি।
তবে দুর্নীতির ঝুঁকি মোকাবেলায়, নিয়ন্ত্রন আইন প্রনয়ণ, আইসিসির দুর্নীতি বিরোধী বিধি বিধান মেনে চলাসহ প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেয়ার পরামর্শ দিয়েছেন টিআইয়ে।
২০১৪ সালের সেপ্টেম্বর থেকে ২০১৫ সালের এপ্রিল পর্যন্ত প্রাপ্ত তথ্যের ভিত্তিতে এ প্রতিবেদনটি তৈরি করে ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল।