পিলখানা হত্যাকাণ্ডে নিহত সামরিক কর্মকর্তাদের শ্রদ্ধা নিবেদন করেছেন রাষ্ট্রপতি আবদুল হামিদ, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা, সাবেক সেনা প্রধান হুসেইন মুহাম্মদ এরশাদ, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খাঁন কামাল ও তিন বাহিনীর প্রধানরা।
বৃহস্পতিবার সকাল ৯টায় বনানী কবরস্থানে প্রথমে রাষ্ট্রপতির পক্ষে তার সামরিক সচিব মেজর জেনারেল আবুল হোসেন, এরপর প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার পক্ষে তার সামরিক সচিব মেজর জেনারেল মিয়া মোহাম্মদ জয়নুল আবেদীন নিহতদের কবরে পুষ্পস্তবক দিয়ে শ্রদ্ধা জানান।
এরপর স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর পক্ষে তার সিনিয়র সচিব ড. মো মোজাম্মেল হক খান, সেনাপ্রধান জেনারেল আবু বেলাল মোহাম্মদ শফিউল হক, বিমান বাহিনী প্রধান এয়ার চিফ মার্শাল আবু এসরার, নৌ বাহিনী প্রধান ভাইস এডমিরাল নিজাম উদ্দিন আহমেদ, বর্ডার গার্ডের মহাপরিচালক মেজর জেনারেল আজিজ আহমেদ যৌথভাবে পুষ্পস্তবক অর্পণ করেন।
শ্রদ্ধাঞ্জলি অর্পণ শেষে ১ মিনিট নীরবতা পালন করা হয়। এরপর তাদের আত্মার মাগফিরাত কামনা করে মোনাজাত অনুষ্ঠিত হয়।
এ সময় নিহত সামরিক কর্মকর্তাদের পরিবারের সদস্যরাও নিজ নিজ স্বজনের কবরে পুষ্পস্তবক অর্পণ এবং কবর জিয়ারত করেন।
২০০৯ সালের ২৫ ও ২৬ ফেব্রুয়ারি রাজধানীর বর্তমানে বিজিবি তৎকালীন বিডিআর সদর দফতরে বিদ্রোহের নামে ৫৭ জন সেনা অফিসারসহ মোট ৭৪ জনকে হত্যা করেন বিপথগামী বিডিআর সদস্যরা। বাংলাদেশের ইতিহাসে এটি একটি বিরল কলঙ্কজনক ঘটনা বলে বিবেচিত।
ওই বছরের ২৮ ফেব্রুয়ারি লালবাগ থানায় হত্যা ও বিস্ফোরক আইনে দু’টি মামলা হয়। বিচারিক কাজ শেষে হত্যা মামলার রায় দেন পুরান ঢাকার আলিয়া মাদ্রাসার পাশে কেন্দ্রীয় কারাগার সংলগ্ন মাঠে স্থাপিত অস্থায়ী তৃতীয় অতিরিক্ত মহানগর দায়রা জজ ড. মো. আখতারুজ্জামানের বিচারিক আদালত। বিস্ফোরক মামলাটির বিচারিক কার্যক্রম একই আদালতে চলমান রয়েছে।