রাজধানীর উত্তরায় গ্যাস লাইনে লিকেজ থেকে বিস্ফোরণে দগ্ধ হয়ে একই পরিবারের ৩ জনের মৃত্যুর বিষয়টি নিছক দুর্ঘটনা না হয়ে অন্যকিছুও হতে পারে বলে আশঙ্কা করছেন স্বজনরা।
অভিযোগ দায়ের না করলেও বিষয়টি তদন্ত করছে রাজউক, তিতাস ও ডেসকো। দ্রুতই তদন্ত প্রতিবেদন পাওয়া যাবে বলে জানিয়েছে পুলিশ।
উত্তরার ১৩ নম্বর সেক্টরের এই বাসাটিতে, রান্নাঘরের চুলার, যেখান থেকে বিস্ফোরণ ঘটেছে, সেখান থেকে করিডোর পেরিয়ে মূল বেড রুমেও আগুন ছড়িয়ে পড়ে। রান্না ঘরের ঠিক পাশে ড্রংই রুমের চেয়েও বেশি ক্ষতি হয়েছে বেডরুমের। বিকট শব্দে ভেঙ্গে গেছে রান্নাঘর আর বেডরুমের সব জানালা। অথচ গ্যাসের চুলার ঠিক ওপরেই ভেন্টিলেটরটি খোলা ছিল। ঘটনাটি গ্যাস জমে বিস্ফোরণ নাকি অন্য কিছু- দগ্ধ হয়ে মারা যাওয়া প্রকৌশলী শাহনেওয়াজের স্বজনরা এখন এমন প্রশ্ন তুলছেন।
পুলিশের লিখিত আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে পুরো ঘটনাটি তদন্ত করছে রাজউক, ডেসকো, তিতাস।
২০ ফেব্রুয়ারি উত্তরার নতুন ভাড়া করা ফ্ল্যাটে পরিবার নিয়ে ওঠেন মার্কিন দূতাবাসের প্রকৌশলী শাহনেওয়াজ। শুক্রবার সকালে গ্যাসের চুলার আগুনে আহত হলে, পরিবারের ৪ সদস্যসহ তাকে ঢাকা মেডিকেল কলেজের বার্ন ইউনিটে ভর্তি করা হয়। ওই দিন বিকালেই মারা যায় তার ছেলে শারলিন ও ছোট ছেলে জায়ান। শনিবার বিকালে মারা যান শাহনেওয়াজও।
দুর্ঘটনা থেকে বেঁচে গেছে তাদের আরেক সন্তান জারিফ। আর আশঙ্কাজনক অবস্থায় শাহনেওয়াজের স্ত্রী সুমাইয়া। আগামী বছরই পুরো পরিবার নিয়ে স্থায়ীভাবে বসবাসের জন্য যুক্তরাষ্ট্র যাওয়ার কথা ছিল তাদের।