এশিয়া কাপ টি-টোয়েন্টি ফাইনালের টিকেট কেনাকে কেন্দ্র করে শনিবার রাজধানীর মিরপুরে টিকিট-প্রত্যাশীদের সঙ্গে পুলিশের সংঘর্ষের পর আবার টিকিট বিক্রি শুরু হয়।
সকাল থেকে মিরপুর ১০ নম্বর সেকশনের ইউনাইটেড কমার্শিয়াল ব্যাংক লিমিটেডের (ইউসিবিএল) শাখা বন্ধ থাকলেও বিকেল ৪টার কিছু পরেই তা খুলে দেয়া হয়।
তবে বিক্রি শুরুর একঘণ্টা পর টিকিট শেষ বলে জানানো হয় ব্যাংক থেকে। এরপরই টিকিট প্রত্যাশীদের সঙ্গে পুলিশের ব্যাপক সংঘর্ষ শুরু হয়। পরে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে পুলিশ লাঠিচার্জ শুরু করে।
টিকিট-প্রত্যাশীদের ছত্রভঙ্গ করতে পুলিশ কয়েকটি কাঁদানে গ্যাসের শেল ছোড়ে।
এর আগে দুপুর ২টার দিকে ব্যাংক থেকে জানানো হয়, আজ কোনো টিকিট বিক্রি হবে না। তবে ব্যাংকটির প্রধান শাখায় টিকিট বিক্রি নিয়ে দীর্ঘ আলোচনার পর বিকেল ৪টার কিছু পরে টিকিট বিক্রি শুরু করে।
অভিযোগ উঠেছে, বেশিরভাগ টিকেট চলে গেছে ভিআইপি ও কালোবাজারিদের হাতে। আইসিসির নিয়মানুযায়ী, স্টেডিয়ামের আসনসংখ্যার সঙ্গে মিল রেখে সৌজন্যমূলক ১০% টিকেট দেয়া হয়।
তবে খোদ বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের কর্মকর্তাদের দাবি, মিরপুর স্টেডিয়ামে দর্শক ধারণক্ষমতা ২৫ হাজার। এর মধ্যে টিকেটের একটি বড় অংশ দিয়ে দিতে হয় রথী-মহারথীদের। এবারের এশিয়া কাপে মাত্র ১৩% টিকেট সাধারণ দর্শকদের জন্য ব্যাংকে দেয়া হচ্ছে।
এদিকে, বাংলাদেশ-ভারত ফাইনাল ম্যাচের টিকেট নিয়ে কালোবাজারিরাও হয়ে উঠেছে তৎপর। অনেকেই অভিযোগ করেছেন ১৫০ টাকার টিকেট তাদের কিনতে হয়েছে ৩ হাজার টাকায়।