রাজধানীর উত্তরায় গ্যাসলাইন বিস্ফোরণে স্বামী ও দুই সন্তানকে হারানোর পর ১০দিন মৃত্যুর সঙ্গে লড়াই করে চলে গেলেন দগ্ধ সুমাইয়া আক্তার। রোববার দুপুরে রাজধানীর সিটি হাসপাতালে তার মৃত্যু হয়।
এর আগে সকালে, হাসপাতালের বার্ন ইউনিটের চিকিৎসক রাশেদ মাহমুদ বলেন, সুমাইয়া ক্লিনিকালি ডেড। হার্ট ছাড়া শরীরের অন্য অংশ ঠিকমতো কাজ করছে না।
গত ২৬ ফেব্রুয়ারি সকালে উত্তরার ১৩ নম্বর সেক্টরের ৩ নম্বর রোডের এক বাড়ির সপ্তম তলার ফ্ল্যাটে আগুন লেগে দগ্ধ হন সুমাইয়া, তার স্বামী ও তিন সন্তান।
চার জনের মধ্যে দেড় বছরের জায়ান বিন শাহনেওয়াজ ও শাহালিন বিন শাহনেওয়াজ (১৫) ওইদিনই ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের বার্ন ইউনিটে মারা যায়। পরদিন মারা যান সুমাইয়ার স্বামী মো. শাহনেওয়াজ (৫০)।
বেঁচে যাওয়া মেঝছেলে জারিফ বিন নেওয়াজ শারীরিকভাবে অন্যদের চেয়ে ভালো আছে। তবে সে মানসিকভাবে প্রচণ্ড আঘাত পেয়েছে তার কথাবার্তা এলোমেলো।
বার্ন ইউনিটের চিকিৎসক মুন্নী মমতাজ বলেন, চারজনেরই শ্বাসনালী পুড়ে গেছে। শাহনেওয়াজের শরীরের ৯৫ শতাংশ ও তার স্ত্রীর শরীরের ৯০ শতাংশ পুড়েছে। সারলিনের ৮৮ শতাংশ ও জায়ানের শরীরের ৭৪ শতাংশ পুড়ে গিয়েছিল। জারিফের পুড়েছে ৬ শতাংশ।