ঐতিহাসিক সাতই মার্চ আজ (সোমবার)। একাত্তরের এই দিনে বঙ্গবন্ধুর ভাষণ ছিল বাঙালির আকাঙ্খিত স্বাধীনতার দিক নির্দেশনা। সেদিনের রেসকোর্স ময়দানে ছুটে আসা লাখো জনতা নেতার কণ্ঠে স্বাধীনতার কথাটিই শুনতে চেয়েছিল।
পাকিস্তানি হায়েনাদের রক্তচক্ষু, উদ্যত রাইফেলের নল আর মাথার ওপর জলপাই কপ্টারকে উপেক্ষা করে সেদিন শেখ মুজিব অভাবনীয় এক সংযত অবস্থান রেখেও হয়েছিলেন উন্নত শির, দ্বরাজ স্বরে কণ্ঠকে করেছিলেন দৃঢ়, আর অন্তিমে সেই উদাত্ত উচ্চারণ, ‘এবারের সংগ্রাম আমাদের স্বাধীনতার সংগ্রাম।’
পতাকা উড়িয়ে দিয়ে, স্বাধীনতার ইশতেহার ছড়িয়ে দিয়ে, রণকৌশলের মহড়ায় নেমে পড়ে, বাঙালির যেন আর তর সইছিলো না যুদ্ধে ঝাঁপিয়ে পড়ার। শুধু বঙ্গবন্ধুর নির্দেশের অপেক্ষা... বঙ্গবন্ধু জানতেন, সবার চাওয়া স্বাধীনতা। বিচক্ষণ মুজিব সুকৌশলে ডাক দিলেন স্বাধীনতার।
বঙ্গবন্ধুর ডাকে সেদিন রেসকোর্স ময়দান অভিমুখে জনতার ঢল। পাকিস্তানীদের ২৪ বছরের বঞ্চনা, শোষণ আর নিপীড়নের শেষ কিনারায় দাঁড়িয়ে প্রতিটি বাঙালির চোখে তখন স্বাধীনতার স্বপ্ন। মুক্তিকামী বাঙালি আর মঞ্চের মুজিব তখন একাকার।
৭ মার্চের রেসকোর্সে বঙ্গবন্ধুর ঘোষণায় বাঙালি পেয়ে যায় মুক্তিযুদ্ধের সবুজ সংকেত। মুজিব দিয়ে দেন নির্দেশনা।