বঙ্গবন্ধুর ঐতিহাসিক ৭ মার্চের ভাষণ নিষিদ্ধ করেছিলেন জিয়া-এরশাদ-খালেদা বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।
সোমবার রাজধানীর সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে আওয়ামী লীগের জনসভায় তিনি এ কথা বলেন।
শেখ হাসিনা বলেন, বঙ্গবন্ধুর ঐতিহাসিক ৭ মার্চের ভাষণ থেকেই স্বাধীনাতা শব্দটি আমাদের হয়েছে। যে আদর্শ- চেতনা নিয়ে এদেশ স্বাধীন হয়েছে তার বাস্তবায়ন করা হবে আর এক্ষেত্রে যতো বাধাই আসুক না কেন?—তা অতিক্রম করা হবে।
তিনি আরো বলেন, গত ৪৫ বছর ধরে বঙ্গবন্ধুর ৭ মার্চের ভাষণ বাঙালির চেতনায় উজ্জীবিত। এ ভাষণ শুধু স্বাধীনতাই এনে দেয়নি, বাঙালির অর্থনৈতিক মুক্তির কথাও বলেছে।
এ সময় মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় দেশকে গড়ে তুলতে সকলের সহযোগিতা কামনা করেন প্রধানমন্ত্রী।
সম্প্রতি বিএনপির চেয়ারপারসন ও সিনিয়র ভাইস চেয়ারম্যান নির্বাচনকে নাটক আখ্যা দিয়ে শেখ হাসিনা বলেন, ২ জন আসামীকে যে দল নেতা বানায় তাদের পক্ষে জনগণকে কিছু দেয়া সম্ভব নয়।
তিনি বলেন, ইন্টারপোলের আসামী হিসেবে যার নাম সে বিএনপির নেতা। সে দল দেশকে কী দেবে?
জনসভায় প্রধানমন্ত্রী আবারও বলেন, আন্দোলনের নামে মানুষ পোড়ানোর জন্য বিএনপি নেত্রীকে জবাব দিতে হবে।
এর আগে বেলা সোয়া ৩টায় রাজধানীর সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে এ সমাবেশ শুরু হয়। বিকেল ৫টার পরে নিজের বক্তব্য শুরু করেন জনসভার সভাপতি ও আওয়ামী লীগ সভাপতি প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।
বঙ্গবন্ধুর স্বদেশ প্রত্যাবর্তন দিবস উপলক্ষে সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে কোরআনসহ আরো ৩টি ধর্মগ্রন্থ পাঠের মধ্য দিয়ে শুরু হয় আওয়ামী লীগের জনসভা।
এর আগে সোমবার সকাল থেকেই বিভিন্নস্থান থেকে আওয়ামী লীগ ও এর অঙ্গসংগঠনের নেতাকর্মীরা সোহরাওয়ার্দী মাঠে আসতে শুরু করেন। বেলা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে জনসমাগম বাড়তে থাকে।
এদিকে, জনসভাকে কেন্দ্র করে এলাকায় কঠোর নিরাপত্তা বেষ্টনী গড়ে তোলা হয়েছে।