কার্গো পরিবহন চলাচলে নিষেধাজ্ঞায় যুক্তরাজ্যের দেখানো কারণ যৌক্তিক নয়—বলে জানিয়েছেন বেসামরিক বিমান ও পর্যটনমন্ত্রী রাশেদ খান মেনন। বৃহস্পতিবার সচিবালয়ে নিজ মন্ত্রণালয় কক্ষে আয়োজিত আলোচনায় সাংবাদিকদের তিনি এ কথা বলেন।
এ নিষেধাজ্ঞা অবিলম্বে প্রত্যাহার করা উচিত ও বাংলাদেশ সরকার তেমনই আশা করছে— এ কথা উল্লেখ করে রাশেদ খান বলেন, নিরাপত্তাজনিত কারণ দেখিয়ে বাংলাদেশ থেকে সরাসরি পণ্যবাহী উড়োজাহাজ চলাচলে নিষেধাজ্ঞা দিয়েছে যুক্তরাজ্য। নিষেধাজ্ঞার পেছনে নিরাপত্তাহীনতা মূল কারণ হতে পারে না। বাংলাদেশের বিমানবন্দরে নিরাপত্তা পরিস্থিতি অনেক ভালো।
তিনি আরো বলেন, বিমানবন্দরের নিরাপত্তার মানোন্নয়নে যুক্তরাজ্যের পরামর্শগুলো নিয়েছি। কার্গো হ্যান্ডলিংয়ের মান ৭০% এসেছে। প্রশিক্ষিত জনশক্তি রয়েছে। এসব দেখে তারা সন্তোষ জানিয়েছিলেন। তাই এখন ‘নিরাপত্তাঘাটতি’র কারণ কিভাবে আসতে পারে?
এ নিষেধাজ্ঞায় বাংলাদেশ বিমানের কার্গো পরিবহন ব্যাহত হবে বলেও উল্লেখ করেন বেসামরিক বিমান ও পর্যটনমন্ত্রী।
মঙ্গলবার যুক্তরাজ্য সরকারি ওয়েবসাইটে এ নিষেধাজ্ঞার কথা জানানো হয়। ‘বাংলাদেশ এয়ারপোর্ট আপডেট’ শীর্ষক ঘোষণাটিতে বলা হয়, আন্তর্জাতিক নিরাপত্তায় প্রয়োজনীয় কিছু বিষয়ে এখনও ঘাটতি রয়েছে রয়েছে ঢাকায়।
পরবর্তী নির্দেশনা না দেয়া পর্যন্ত ঢাকা থেকে যুক্তরাজ্যে সরাসরি কার্গো পরিবহন করতে দেয়া হবে না। তবে অন্যদেশ হয়ে যুক্তরাজ্যে যাওয়া যাবে।
এর আগে অস্ট্রেলিয়ার এমন উদ্যোগ প্রসঙ্গে সাংবাদিকরা তার দৃষ্টি আকর্ষণ করেন ও জানতে চান, এসবে কোনো রাজনৈতিক ব্যাপার রয়েছে কি-না।
এদিকে, বুধবার কক্সবাজারের নাজিরাটেক সমুদ্র পয়েন্টে চিংড়ি পোনাবাহী ট্রু-এভিয়েশনের একটি কার্গো প্লেন বিধ্বস্ত হয়ে ৩ জনের মৃত্যু হয়। এ ঘটনায় কমপক্ষে ৫০ লাখ টাকার চিংড়ি পোনা সাগরের পানিতে ভেসে যায়।