এইডস প্রতিরোধে জনসচেতনা বাড়ানোর ওপর জোর দিয়ে রাষ্ট্রপতি আবদুল হামিদ বলেন, এশিয়া প্যাসিফিক অঞ্চল থেকে ২০৩০ সালের মধ্যে এইডস নির্মূল সম্ভব হবে।
শনিবার রাজধানীর বসুন্ধরা কনভেনশন সেন্টারে আয়োজিত ইন্টারন্যাশনাল কংগ্রেস অন এইডস ইন এশিয়া এন্ড প্যাসিফিকের (আইক্যাপ) দ্বাদশ আন্তর্জাতিক সম্মেলনের উদ্বোধন শেষে তিনি এ কথা বলেন।
এইডস কোনো অভিশাপ নয়—এর মোকাবেলায় চিকিৎসার পাশাপাশি জনসচেনতা আরো বাড়ানোর তাগিদ দেন রাষ্ট্রপতি।
আবদুল হামিদ বলেন, ‘এইডস বিষয়ে জনসচেনতা বাড়াতে আইক্যাপ গুরুত্বপূর্ণ প্লাটফর্ম। এ ফোরাম ২০৩০ সালের মধ্যে এশিয়া-প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চল এইডসমুক্ত করতে যে লক্ষ্য নির্ধারণ করেছে তাতে এ সম্মেলন সহায়ক ভূমিকা রাখবে।’
তিনি বলেন, টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রাসহ বিশ্বজুড়ে এইডস প্রতিরোধে যে সব উদ্যোগ নেয়া হয়েছে। এ সম্মেলন সে লক্ষ্য পূরণেও পথ দেখাবে।
আবদুল হামিদ বলেন, ‘বাংলাদেশ এইডস ঝুঁকিতেই নেই তবুও বিষয়টি অধিক গুরুত্ব দিয়ে সরকার এর মোকাবেলায় বিভিন্ন উদ্যোগ বাস্তবায়ন করে আসছে। এর মধ্যে মানুষের মধ্যেও এ বিষয়ে সচেতনতা বাড়ছে। আশা করছি এ সম্মেলন এ দেশের মানুষকে আরও সচেতন করবে।’
বাংলাদেশ এইচআইভি ঝুঁকিতে নেই উল্লেখ করে রাষ্ট্রপতি বলেন, কমিউনিটি সচেতনতা বাড়িয়ে এইচআইভি ভাইরাসের সংক্রমণ রোধে করতে হবে।
এ ভাইরাসে আক্রান্তদের সনাক্ত করে চিকিৎসার ব্যবস্থা করা হবে বলেও জানান তিনি।
উল্লেখ্য, ইন্টারন্যাশনাল কংগ্রেস অন এইডস ইন এশিয়া অ্যান্ড দ্যা প্যাসিফিক বা আইক্যাপ এশিয়া-প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চলে এইডস সম্পর্কিত সবচেয়ে বড় বৈজ্ঞানিক ফোরাম।
এ ফোরাম দুই দশকেরও বেশি সময় ধরে এ অঞ্চলসহ সারাবিশ্বে জনসচেতনতা বৃদ্ধি, রাজনৈতিক অঙ্গীকার অর্জন, অ্যাডভোকেসি, নেটওয়ার্ক শক্তিশালীকরণে মূল ভূমিকা পালন করছে।
বিশ্বের ৫৬টি দেশের প্রায় এক হাজার বিজ্ঞানী, চিকিৎসক, গবেষক, এনজিও কর্মীরা এ সম্মেলনে অংশ নিচ্ছেন। আগামী ১৪ মার্চ সম্মেলন শেষ হবে।