জাতীয়

জাতির জনক বঙ্গবন্ধুর ৯৬তম জন্মবার্ষিকী আজ

শেখ মুজিবুর রহমান
শেখ মুজিবুর রহমান

বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান— বাঙালি জাতির অবিসংবাদিত নেতা। একটি মুক্তিযুদ্ধের মধ্য দিয়ে স্বাধীন দেশ সৃষ্টিতে নেতৃত্ব দেয়া, আবার সদ্য স্বাধীন সেই দেশ গঠনেও সমান ভূমিকা রাখা-এ রকম সৌভাগ্য ইতিহাসে খুব কম জাতীয়তাবাদী নেতার বেলায় ঘটেছে। বঙ্গবন্ধু মুজিব সেই ক্ষণজন্মাদের একজন।

জাতির জনকের ৯৬তম জন্ম বার্ষিকী আজ (বৃহস্পতিবার)। দিনটি পালিত হচ্ছে জাতীয় শিশু দিবস হিসেবে।

শেখ মুজিবুর রহমান—এ নাম জাতির আত্মপরিচয়, দেশের ইতিহাসের প্রতিটি পরতে পরতে জড়িয়ে গেছে। তাই তিনি বাঙালির বঙ্গবন্ধু, জাতির জনক।

গোপালগঞ্জের নিভৃত গ্রাম টুঙ্গিপাড়া। ১৯২০ সালের ১৭ মার্চ এখানেই জন্ম বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের। সেই গ্রামের পাঠশালা পেরিয়ে ১৯৩৯ সালে স্থানীয় মিশনারি স্কুলে পড়ার সময় বঙ্গবন্ধুর হাতেখড়ি রাজনীতিতে।

এরপর লেখাপড়া কোলকাতার ইসলামিয়া কলেজে। সাতচল্লিশে ভারত ভাগের পর ভর্তি হন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের আইন বিভাগে। আর ১৯৪৮ সালেই ভাষা আন্দোলনে অংশ নিয়ে তাকে যেতে হয় কারাগারে।

সেই থেকে বারবার পাকিস্তানি সামরিক সরকারের টার্গেটে পরিণত হন শেখ মুজিব। ৫২, ৫৪, ৫৬, ৫৮ সালের দিনগুলোতে রাজনীতিতে তার দৃপ্ত পদচারণা। ছাত্রনেতা থেকে হয়ে ওঠেন আওয়ামী লীগের কাণ্ডারী। পাড়ি দেন আন্দোলন-সংগ্রামের বন্ধুর পথ।

৬২-৬৪ পেরিয়ে ১৯৬৬ সালে ৬ দফা প্রস্তাব করে আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে আসেন বঙ্গবন্ধু। ৬ দফা হয়ে যায় বাঙালির মুক্তিসনদ। ৬৮তে আগরতলা ষড়যন্ত্র মামলা দিয়ে বঙ্গবন্ধুকে দমানোর চেষ্টা চলে। তাতেই ৬৯-এর গণঅভ্যুত্থানের অগ্নিস্ফুলিঙ্গ।

আর ৭০ এর নির্বাচনে জয়ী সংখ্যাগরিষ্ঠ দল আওয়ামী লীগের হাতে ক্ষমতা হস্তান্তর না করে ইয়াহিয়া টালবাহানা শুরু করলে অনিবার্য হয়ে পড়ে স্বাধীনতা সংগ্রাম।

আসে ৭১-এর ৭ই মার্চ। রেসকোর্সে লাখো মানুষের সমাবেশে বঙ্গবন্ধু ডাক দেন স্বাধীনতার। বাঙালিকে প্রস্তুত করেন সশস্ত্র লড়াইয়ে।

২৫ মার্চ রাতে নিরস্ত্র মানুষের ওপর ঝাঁপিয়ে পড়ে পাকিস্তানি বাহিনী। চালায় বর্বর গণহত্যা। আর দেরি করেননি বঙ্গবন্ধু। বাংলাদেশকে ঘোষণা করেন একটি স্বাধীন দেশ হিসেবে। শুরু হয় মুক্তিযুদ্ধ।

সেই রাতের মধ্যেই পাকিস্তানিরা বঙ্গবন্ধুকে গ্রেপ্তার করে নিয়ে যায়। একাত্তরের নয় মাস তার নামেই স্বাধীনতার যুদ্ধ চালিয়ে যায় পুরো জাতি। ১৬ ডিসেম্বর আসে চূড়ান্ত বিজয়।

৭২ সালের ১০ জানুয়ারি দেশে ফেরেন বঙ্গবন্ধু। বাংলার অবিসংবাদিত নেতা নেমে পড়েন যুদ্ধবিধ্বস্ত দেশ পুনর্গঠনের কাজে।

তবে পরাজিত শক্তি পিছু ছাড়েনি। ১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্ট এক ঘৃণ্য ষড়যন্ত্রে কতিপয় কুচক্রী রাজনীতিকের সহযোগিতায় কিছু কুচক্রী সেনা কর্মকর্তা নির্মমভাবে হত্যা করে বাংলাদেশ রাষ্ট্রের স্থপতি ও তার পরিবারের প্রায় সব সদস্যকে।

যার নামের সঙ্গে একাকার বাংলা, বাঙালি ও বাংলাদেশ, তার অনুরণন প্রতি নিঃশ্বাসে। যতোদিন এ দেশ, যতোদিন এ লাল-সবুজের পতাকা, ততোদিন ধ্রুবতারা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান।

দেশটিভি/এএ
দেশ-বিদেশের সকল তাৎক্ষণিক সংবাদ, দেশ টিভির জনপ্রিয় সব নাটক ও অনুষ্ঠান দেখতে, সাবস্ক্রাইব করুন আমাদের ইউটিউব চ্যানেল:

এছাড়াও রয়েছে

সিলেটে ভোক্তা অধিদপ্তর ও সিসিএস-এর সচেতনতামূলক সভা

ট্রাফিক আইন মেনে চলার সংস্কৃতি গড়ে তুলুন: প্রধানমন্ত্রী

চোরাগলি দিয়ে সরকার উৎখাতের সুযোগ নেই: ওবায়দুল কাদের

এক বছরে সড়ক দুর্ঘটনা ৫৩৭১, মৃত্যু ৬২৮৪ জনের

খুলনায় দুই দিনের ‘পরিবহন ধর্মঘট’ চলছে

২৫ অক্টোবর আংশিক সূর্যগ্রহণ

ভোজ্যতেল নিয়ে বাণিজ্যমন্ত্রীর কড়া হুঁশিয়ারি

সুদানে জাতিগত সংঘর্ষ নিহত অন্তত ১৫০

সর্বশেষ খবর

স্টেট ব্যাংক অফ ইন্ডিয়ার নারী দিবস উদযাপন

শীতার্তদের মাঝে কম্বল বিতরণ করলেন মোস্তাফিজুর রহমান

জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ে ‘ইউল্যাব’ শিক্ষার্থীদের ফটোওয়াক

ভান্ডারিয়া ও মঠবাড়িয়ায় পৌর প্রশাসক নিয়োগ