মশাল প্রজ্জ্বলন ও আলোর মিছিলের মধ্য দিয়ে ২৫ মার্চের কালরাতে শহীদদের স্মরণ করেছে করেছে একাত্তরের ঘাতক দালাল নির্মূল কমিটি।
কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে মিছিলপূর্ব আলোচনায়, ২৫ মার্চকে আন্তর্জাতিক গণহত্যা দিবস হিসেবে স্বীকৃতির দাবি জানান মুক্তিযোদ্ধা, রাজনীতিক ও বিশিষ্টজনেরা। আর শিখা চিরন্তনে নতুন প্রজন্মের হাতে পতাকা ও মশাল হস্তান্তর।
সকল যুদ্ধাপরাধীর বিচার শেষ না হওয়া পর্যন্ত সংগ্রাম অব্যাহত রাখার শপথের মধ্য দিয়ে কালরাত্রি পালন করেছে সেক্টর কমান্ডার্স ফোরাম, মুক্তিযুদ্ধ ৭১।
৭১এর ২৫ মার্চ মধ্যরাত্রি পাকিস্তানী হানার বাহিনী এ দেশের নিরস্ত্র বাঙালির ওপর চালিয়েছিলো নৃশংস হত্যাযজ্ঞ। তারই নির্মম সাক্ষী হয়ে আছে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের জগন্নাথ হলের বধ্যভূমি। এ গণহত্যা, যুদ্ধাপরাধের বিচার ও শহীদদের আত্মদানের চেতনাবোধ জাগ্রত করতে শহীদ জননী জাহানারা ইমাম শুরু করেছিলেন গণহত্যার কালরাত্রি পালন কর্মসূচি।
সেই ধারাবাহিকতায় একাত্তরের ঘাতক দালাল নির্মূল কমিটি কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে আলোচনা সভা, মশাল প্রজ্জ্বলন ও আলোর মিছিলের আয়োজন করে।
মুক্তিযোদ্ধা, রাজনৈতিক নেতা, সরকারের মন্ত্রী, শহীদ পরিবারের সদস্য, বিশিষ্টজন ও সাধারন মানুষ এসব কর্মসূচিতে যোগ দেন। আন্তর্জাতিক পর্যায়ে ২৫ মার্চের গণহত্যার স্বীকৃতির দাবি জানান তারা।
স্বাধীনতার ৪৫ বছর পরও স্বাধীনতাবিরোধী চেতনার সঙ্গে লড়াই চালিয়ে যেতে হয় ক্ষোভ প্রকাশ করেন শহীদ বুদ্ধিজিবী পরিবারের সদস্যরা।
আলোচনা শেষে ৪৫টি মশাল প্রজ্জ্বলন করা হয়। মুক্তিযুদ্ধে শহীদদের শ্রদ্ধা জানাতে পরে শহীদ মিনার থেকে আলোর মিছিল বের করা হয়। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের জগন্নাথ হলের বধ্যভূমি পর্যন্ত গিয়ে শেষ হয় আলোর মিছিল।
এদিকে, রাতে সোহরাওয়ার্দী উদ্যান শিখা চিরন্তনে ঘোষণা পত্র পাঠ, আবৃত্তি ও নৃত্য পরিবেশন, তরুণ প্রজন্মের হাতে মশাল ও পতাকা হস্তান্তর এবং শপথ পাঠের মধ্য দিয়ে কালরাত্রি পালন করে সেক্টর কমান্ডার্স ফোরাম, মুক্তিযুদ্ধ -৭১।