ভারত থেকে বাংলাদেশের আমদানি বাড়ছে—কমছে দেশটিতে বাংলাদেশি পণ্য রপ্তানির হার—সাউথ-এশিয়ান নেটওয়ার্ক ফর ইকোনোমিক মডেলিং-সানেম এর নির্বাহী পরিচালক ড. সেলিম হায়দারের গবেষণায় উঠে এসেছে এসব তথ্য।
শনিবার সকালে রাজধানীতে মেট্রোপলিটন চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাজট্রি আয়োজিত 'উপ-আঞ্চলিক সরকারি-বেসরকারি সংলাপে' তিনি এসব তথ্য তুলে ধরেন।
শুল্কমুক্ত সুবিধা পেলেও মূলত অশুল্ক বাধার কারণে ভারতে বাংলাদেশি পণ্য রপ্তানি বাড়ানো যাচ্ছে না বলে তিনি উল্লেখ করেন।
তবে, বাণিজ্য বাধা দূর করতে ভারত আন্তরিক বলে জানান, সার্কে নিয়োজিত ভারতের প্রতিনিধি সাবিত্রী লাকসমানান।
বাংলাদেশ-ভুটান-ইন্ডিয়া এবং নেপাল মিলে দক্ষিণ এশিয়ার উপ-আঞ্চলিক সংগঠন বিবিআইএন। চার দেশের প্রতিনিধিদের সঙ্গে দুই দিন ব্যাপী আলোচনার প্রথম দিনে উঠে আসে দক্ষিণ এশিয়ার রাজনৈতিক অর্থনীতিসহ আঞ্চলিক বাণিজ্যের বিভিন্ন দিক।
সংলাপে বলা হয়, দক্ষিণ এশিয়ার সবচেয়ে বড় অর্থনীতির দেশ ভারত ক্রমেই দক্ষিণ এশিয়ার দেশগুলো থেকে আমদানি কমিয়ে দিচ্ছে। এর সপক্ষে তথ্য উপাত্ত উপস্থাপন করেন সানেম এর নির্বাহী পরিচালক সেলিম রায়হান।
তিনি বলেন, ২০০৬ সালে দক্ষিণ এশিয়া থেকে ভারতের আমদানি ছিল দশমিক ৮ শতাংশ। ২০১৪ সালে তা কমে দশমিক ৬ শতাংশে নেমে এসেছে। এর মধ্যে বাংলাদেশ থেকে তাদের আমদানি আড়াই শতাংশ থেকে কমে ২০১৪ সালে ১ দশমিক ৯ শতাংশে দাঁড়িয়েছে।
তার দাবি, ভারত আমদানি করে এমন অনেক পণ্যই বাংলাদেশ বিভিন্ন দেশে রপ্তানি করে। কিন্তু না বাধার কারণে দেশটিতে বাংলাদেশি এসব পণ্য প্রবেশ করতে পারে না। অবস্থা উত্তরণে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেয়ার আশ্বাস দেন ভারতীয় প্রতিনিধি।
২০১৪ সালে ভারত মোট ৪৫৮ বিলিয়ন ডলারের পণ্য আমদানি করেছে। এর মধ্য মাত্র ৪৫ বিলিয়ন আমদানি করেছে দক্ষিণ এশিয়া থেকে।