সরকার একদিকে যুদ্ধাপরাধের বিচার করছে অন্যদিকে সাম্প্রদায়িকতাকে প্রশ্রয় দিচ্ছে বলে মন্তব্য করেছেন বিশিষ্টজনেরা।
তাদের মতে, একাত্তরে দেশ স্বধীন হলেও পাকিস্তানিদের ভাবাদর্শ এখনো রয়ে গেছে। নিরাপত্তার নামে বাঙ্গালি সংস্কৃতির অন্যতম উৎসব পহেলা বৈশাখকে খাটো করা করা হচ্ছে অভিযোগ করে ধর্মভিত্তিক রাজনীতি নিষিদ্ধেরও দাবি জানান বক্তারা।
বক্তারা সেমিনারে বলেন, শুধু যুদ্ধাপরাধীদের বিচার করে জঙ্গিবাদ দমন করা যাবেনা এর জন্য প্রয়োজন জাতীয় জাগরণের। সকালে জাতীয় প্রেসক্লাবে জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দল আয়োজিত এক সেমিনারে এসব কথা উঠে আসে।
সাম্প্রদায়িকতা, জঙ্গিবাদের প্রকৃতি ও বাংলাদেশের গণতান্ত্রিক রাজনীতি শীর্ষক এক সেমিনারের আয়োজন করে জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দল জাসদ। এতে জঙ্গিবাদ ও দেশের রাজনীতির নানা অবস্থা তুলে ধরেন বিশিষ্টজনেরা।
সাম্রাজ্যবাদ এবং ধর্মীয় চিন্তা চেতনা থেকেই জঙ্গিবাদের উত্থান উল্লেখ করে অর্থনীতিবিদ এম এম আকাশ, বলেন, সরকারের দ্বৈত নীতির ফলেই দেশ থেকে ধর্মভিত্তিক রাজনীতি নিষিদ্ধ করা সম্ভব হচ্ছে না।
জঙ্গিবাদ নির্মূল করতে ধর্মভিত্তিক রাজনীতি নিষিদ্ধের দাবি জানান জাসদের একাংশের সভাপতি শরিফ নুরুর আম্বিয়া।
পাকিস্তান ও পশ্চিমা বিশ্ব জঙ্গিবাদের পৃষ্টপোষকতা করছে উল্লেখ করে বাংলাদেশকে এর প্রভাবমুক্ত রাখতে তাদের অর্থের উৎস ধ্বংস করার পরামর্শ দেন ব্রি. জে. হারুন অর রশিদ, রানা দাস গুপ্ত।
পহেলা বৈশাখ নিয়ে ওলামা লীগের বক্তব্যের সমালোচনা করে বক্তারা বলেন, মৌলবাদের সঙ্গে আপস করে অসাম্প্রদায়িক দেশ গড়া সম্ভব না বলে মনে করেন দিলীপ বড়ুয়া।
শুধু উন্নয়নের মাধ্যমে জঙ্গিবাদ মোকাবেলা সম্ভব নয় উল্লেখ করে আদর্শগত পরিবর্তনের উপর জোর দেন বক্তারা।