রাজধানীসহ পুরো দেশ বড় ধরনের ভূমিকম্প ঝুঁকির মধ্যে রয়েছে বলে জানিয়েছেন বিশেষজ্ঞরা।
ভূমিকম্পের সময় হুড়োহুড়ি করে ভবন থেকে নিচে নামলে ঝুঁকি কমবে না বরং বাড়বে বলে তারা জানিয়েছেন।
তাই সচেতনতা আর বিল্ডিং কোড মেনে ভবন তৈরির পরামর্শ তাদের।
এদিকে বুধবার রাতে ভূমিকম্পে চট্টগ্রামের নয়টি ভবন হেলে পড়ার ঘটনায় তিন সদস্যের তদন্ত কমিটি গঠন করেছে চট্টগ্রাম উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ।
বুধবার রাত ৭ টা ৫৫ মিনিট। রাজধানীতে হঠাৎ করেই শুরু হয় হালকা দুলুনি। এটি যে ভূমিকম্প- তা বুঝতেও সবার একটু সময় লাগে। খানিক বিরতি দিয়েই আবার তীব্র ঝাঁকুনি। সঙ্গে সঙ্গে হুড়োহুড়ি করে রাস্তায় নেমে আসেন মানুষ। তাড়াহুড়ায় নামতে গিয়ে শিশুসহ আহত হয় বেশ কয়েকজন।
চট্টগ্রামসহ দেশের অন্যান্য শহরেও ভূমিকম্পের ঘটনায় বেশ কয়েকটি ভবন হেলে পড়েছে। আহত হয় প্রায় শ'খানেক মানুষ। শুধুমাত্র চট্টগ্রামেই হেলে পড়ে ৯টি ভবন। ভবনগুলো পরিদর্শন শেষে দুটি ভবন ভেঙে ফেলার পরামর্শ দিয়েছেন এ ঘটনায় গঠিত তদন্ত কমিটি।
এ ভূমিকম্পের উৎপত্তিস্থল ছিল মিয়ানমারের মাউলাইক শহরের ৭৪ কিলোমিটার দক্ষিণ-পূর্বে। বাংলাদেশ আবহাওয়া অধিদপ্তর ভূমিকম্পের মাত্রা ৭ দশমিক ২ বললেও যুক্তরাষ্ট্রের ভূকম্পন পর্যবেক্ষণ সংস্থা ইউএসজিএসের ওয়েবসাইটের তথ্য অনুযায়ী ভূমিকম্পের মাত্রা ছিল ৬ দশমিক ৯।
বিশেষজ্ঞরা বলেন, বাংলাদেশ এখন বড় ধরনের ভূমিকম্প ঝুঁকিতে রয়েছে। ৭ দশমিক বা তার চেয়ে বেশি মাত্রার ভূমিকম্প হলে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতির আশঙ্কা তাদের।