যে কেউ চাইলে টিআইবি’র ওয়েবসাইট থেকে কর্মকর্তাদের সম্পদের হিসাব বিবরণী দেখতে পারেন— উল্লেখ করে সংস্থাটির নির্বাহী পরিচালক ড. ইফতেখারুজ্জামান বলেন, কারো প্ররোচণায় কিংবা চাপে টিআইবি রিপোর্ট প্রকাশ করে না।
সম্পূর্ণ স্বচ্ছতা নিয়েই দুর্নীতির চিত্র আর সমালোচনা তুলে ধরা হয় বলে জানান তিনি।
বৃহস্পতিবার রাজধানীতে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে সজীব ওয়াজেদ জয়ের এ বক্তব্যের প্রতিক্রিয়ায় তিনি এ কথা বলেন।
সর্ষের মধ্যেই যখন ভুত তখন তা কে তাড়াবে। এ প্রবাদটি নতুন করে আলোচনায় আসে যখন পনামা পেপার্স কেলেঙ্কারিতে পদত্যাগ করেন ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল চিলির প্রেসিডেন্ট গনসালো দেরাবো। বিদেশে সম্পদ লুকানোর অভিযোগ ছিলো তার বিরুদ্ধে।
ওই ঘটনার পর জার্মানীর বার্লিনভিত্তিক দুর্নীতিবিরোধী সংস্থা ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল-টিআই এর বাংলাদেশ চ্যাপ্টারের কর্মকর্তাদের সম্পদ বিবরণী প্রকাশের দাবি এবং এ সংক্রান্ত আইন হওয়া উচিৎ বলে মন্তব্য করেন প্রধানমন্ত্রীর তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি উপদেষ্টা সজীব ওয়াজেদ জয়।
সম্প্রতি নিজ ফেসবুক পাতায় জয় লেখেন, টিআইবির কর্মকর্তাদেরও প্রমাণ করা উচিৎ যে তারা দূনীতিগ্রস্ত নয়।
দুর্নীতি পর্যবেক্ষনকারী সংস্থা হলেও টিআইবির কর্মকর্তারা যে দুর্নীতিগ্রস্ত নয় তা প্রমাণে এর কর্মকর্তাদের সম্পদের হিসাব প্রকাশ করা উচিৎ-প্রধানমন্ত্রীর তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি উপদেষ্টা সজীব ওয়াজেদ জয়ের এমন মন্তব্যের প্রতিক্রিয়ায় ড. ইফতেখারুজ্জামান বলেন, সবকিছুর পরও টিআইবি তার নিজস্ব গতিতেই চলবে।
দেশের তৈরি পোশাক খাতের ওপর পর্যবেক্ষণ বিষয়ে করা এ সংবাদ সম্মেলনে বিভিন্ন সমস্যার কথা তুলে ধরলেও কর্ম পরিবেশের নিয়ে নিজেদের সন্তুষ্টির কথাও জানায় সংস্থাটি।