বেতন বৃদ্ধি ও চাঁদাবাজি বন্ধসহ ১৫ দফা দাবিতে সারাদেশে দ্বিতীয় দিনের মতো শুক্রবারও ধর্মঘট পালন করছে বাংলাদেশ নৌযান শ্রমিক ফেডারেশন ও বাংলাদেশ জাহাজি শ্রমিক ফেডারেশন।
বুধবার মধ্যরাত থেকে দেশজুড়ে যাত্রীবাহী লঞ্চের পাশাপাশি সব ধরনের পণ্য পরিবহন বন্ধ রয়েছে। এতে বিভিন্ন গন্তব্যের উদ্দেশে লঞ্চ টার্মিনালগুলোতে আসা যাত্রীরা পড়েছেন চরম দুর্ভোগে।
আর দাবি পূরণ না হলে এ আন্দোলন চলবে জানিয়ে শ্রমিক নেতারা বলেন, সরকার ঘোষিত বেতন স্কেলে তাদের বেতন দিতে হবে।
এদিকে, শ্রমিকদের বেতন নিয়ে কোনো সমস্যা নেই বলে দাবি করে ধর্মঘটের মধ্যেই লঞ্চ চালানোর ঘোষণা দিয়েছেন মালিকরা।
এদিকে, বরিশাল থেকে বৃহস্পতিবার কয়েকটি যাত্রীবাহি লঞ্চ ছাড়লেও বেশির ভাগ লঞ্চই বন্ধ রয়েছে। খুলনায় পন্যবাহী জাহাজ বন্ধ রয়েছে বলে জানা গেছে। এতে খুলনা ও মংলা বন্দরে পণ্য ওঠানামার কাজ বন্ধ রয়েছে।
বৃহস্পতিবার নৌমন্ত্রী শাজাহান খান বলেন, সাধারণ যাত্রীদের জিম্মি না করে শ্রমিক ও মালিকপক্ষকে আলোচনার মাধ্যমে সমস্যা সমাধানে এগিয়ে আসতে হবে।