বিচারপতি অপসারণ আইনের ফলে সংসদ ও বিচার বিভাগ মুখোমুখি অবস্থানে চলে আসবে বলে যে আশঙ্কা করা হচ্ছে, তার কোন সম্ভাবনা নেই— বলে জানালেন আইন কমিশনের চেয়ারম্যান বিচারপতি এবিএম খায়রুল হক।
মঙ্গলবার আইন কমিশনের কার্যালয়ে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে তিনি এ কথা বলেন।
এ আইনের ফলে সংসদ ও বিচার বিভাগ মুখোমুখি হবে কিনা জানতে চাইলে খায়রুল হক বলেন, এ আইনটি শুধুমাত্র জনগণের কাছে বিচারপতিদের দায়বদ্ধতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করতেই করা হচ্ছে। সংসদ ও বিচার বিভাগকে মুখোমুখি করতে নয়।
বিচারপতিদের অসদাচরণের তদন্ত ও তাদের অপসারণের প্রক্রিয়ার স্বচ্ছতা বজায় রাখার জন্য যথাযথ ব্যবস্থা রাখা হয়েছে বলেও জানান আইন কমিশনের চেয়ারম্যান।
সোমবার মন্ত্রিসভার নিয়মিত বৈঠকে সুপ্রিমকোর্ট বিচারক আইন-২০১৬ এর খসড়ায় নীতিগত অনুমোদন দেয় মন্ত্রিসভা।
বিচারপতিদের অভিসংশনের ক্ষমতা সংসদের হাতে ফিরিয়ে দিতে ২০১৪ সালের ১৭ সেপ্টেম্বর সংবিধানের ষোড়শ সংশোধনী বিল সংসদে পাস হয়। ১৯৭২ সাল থেকে ১৯৭৫ সালের সামরিক সরকার ক্ষমতায় আসার আগ পর্যন্ত সুপ্রিম কোর্টের বিচারকের পদের মেয়াদ নির্ধারণ ও অপসারণের ক্ষমতা সাংসদদের হাতে ছিল। সামরিক সরকার সংবিধানের চতুর্থ সংশোধনীর মাধ্যমে এ ক্ষমতা রাষ্ট্রপতির হাতে ন্যস্ত করে।