সাম্প্রতিক হত্যাকাণ্ডের পর বাংলাদেশ পরিস্থিতির ওপর ‘নিবিড়ভাবে নজর’ রাখছে যুক্তরাষ্ট্র।
সোমবার পররাষ্ট্র দপ্তরের নিয়মিত সংবাদ সম্মেলনে মুখপাত্র বলেন, বাংলাদেশে সাম্প্রতিক ‘সংকটে’ তারা উদ্বেগ জানিয়েছেন।
যুক্তরাষ্ট্রের পরররাষ্ট্র দপ্তর জানিয়েছে, সব নাগরিককে আরো নিরাপদ পরিবেশ দিতে বাংলাদেশ সরকারের প্রতি আহ্বান জানিয়েছে তারা।
এছাড়া বাংলাদেশে সহনশীলতা, শান্তি ও বৈচিত্র্য রক্ষায় এদেশের মানুষের যে ঐতিহ্য রয়েছে তা মেনে চলার আহ্বান জানিয়েছে ওয়াশিংটন।
পররাষ্ট্র দপ্তরের নিয়মিত সংবাদ সম্মেলনে মুখপাত্র বলেন, নজর রাখা আমরা তা অব্যাহত রাখছি। আপনাদের বলার মতো আরো সুনির্দিষ্ট কোনো তৎপরতার তথ্য আমার কাছে নেই। তবে আমি আপনাদের বলতে পারি, আমরা খুব নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করছি এবং আমরা পরিস্থিতি সম্পর্কে খোঁজ-খবর রাখছি।
বাংলাদেশে সাম্প্রতিক মুক্তমনা লেখক, প্রকাশক, ব্লগার ও অনলাইন অ্যাক্টিভিস্ট হত্যাকাণ্ডে জঙ্গি গোষ্ঠী ইসলামিক স্টেট (আইএস) এবং আল-কায়েদার ভারতীয় শাখা একিউআইএসের নামে ‘দায় স্বীকার’র বার্তা এসেছে।
গত মাসে ইউএসএআইডির কর্মকর্তা ও সমকামী অধিকারকর্মী জুলহাজ মান্নান এবং তার বন্ধু নাট্যকর্মী মাহবুব রাব্বী তনয় হত্যাকাণ্ডের পরও এ ধরনের বার্তা এসেছে।
তবে বাংলাদেশে আইএস বা একিউআইএসের উপস্থিতির খবর নাকচ করে সরকার বলছে, ‘দেশের মধ্যে বেড়ে ওঠা ইসলামী উগ্রপন্থিরা’ এসব হত্যাকাণ্ড ঘটাচ্ছে।
যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্রমন্ত্রী জন কেরি এর আগে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে ফোন করে এসব হত্যাকাণ্ডের সুষ্ঠু তদন্তের আহ্বান জানিয়েছেন। লেখালেখি ও মত প্রকাশের জন্য যারা উগ্রপন্থিদের হামলার ঝুঁকিতে আছেন তাদের নিরাপত্তা এবং ভবিষ্যতে এ ধরনের হামলা প্রতিরোধে তৎপরতা বাড়ানোর কথাও বলেছেন তিনি।