বিদ্যুৎ, জ্বালানি, তথ্য প্রযুক্তি, বিনিয়োগ-বাণিজ্যেসহ অবকাঠামো খাতে সহায়তা করবে কুয়েত— এ লক্ষ্যে উন্নয়ন সহযোগীতামূলক চারটি চুক্তি স্বাক্ষর অনুষ্ঠিত হয়।
বুধবার বিকেলে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে কুয়েতের প্রধানমন্ত্রী শেখ জাবের আল-মুবারক আল-হামাদ আল-সাবাহ এবং প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার উপস্থিতিতে সংশ্লিষ্ট মন্ত্রী ও কর্মকর্তারা চুক্তিতে স্বাক্ষর করেন।
পরে পররাষ্ট্র সচিব মোহাম্মদ শহীদুল হক সংবাদিকদের বলেন, কুয়েতের প্রধানমন্ত্রীর এ সফরে দুদেশের মধ্যে বিনিয়োগ, বাণিজ্যসহ বিভিন্ন খাতে সহযোগিতার দ্বার উন্মুক্ত হল।
এছাড়াও সন্ত্রাস মোকাবেলায় দুদেশ এক প্লাটর্ফমে কাজ করতে একমত হোন। একই সঙ্গে জনশক্তি রপ্তানি বাড়াতেও উদ্যোগ নেয়ার বিষয়েও দুই প্রধানমন্ত্রী পর্যায়ে বৈঠকে আলোচনা হয় বলেও জানান তিনি।
সফরের দ্বিতীয় দিনে বিকাল তিনটার দিকে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে পৌঁছান কুয়েতের প্রধানমন্ত্রী শেখ জাবের আল-মুবারক আল-হামাদ আল-সাবাহ। সেখানে তাকে লাল গালিচা সংবর্ধনা জানানো হয়।
পরে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সঙ্গে একান্ত বৈঠক করেন কুয়েতি প্রধানমন্ত্রী। বন্ধুপ্রতিম দুই দেশের মধ্যে সম্পর্ক আর সহযোগিতা কিভাবে আরো জোরদার করা যায় সেবিষয়ে আলোচনা করেন তারা। বৈঠক শেষে দুদেশের মধ্যে উন্নয়ন ও সহযোগিতামূলক চারটি চুক্তি স্বাক্ষর হয়। দুই প্রধানমন্ত্রীর উপস্থিতিতে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা চুক্তিতে স্বাক্ষর করেন।
এর আগে একান্ত বৈঠকে সন্ত্রাস মোকাবেলায় দু'দেশের একসঙ্গে কাজ করার ব্যাপারে একমত হন দুই নেতা। একই সঙ্গে জনশক্তি রপ্তানি বাড়ানোর বিষয়েও আলোচনা হয়।
এরপর দুই দেশের প্রতিনিধিদের অংশগ্রহণে দ্বি-পাক্ষিক বৈঠক হয়। সেখানে বাংলাদেশের সংশ্লিষ্ট মন্ত্রীরা অংশ নেন।
এরপর সন্ধ্যায় রাষ্ট্রপতি আব্দুল হামিদের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেন কুয়েতের প্রধানমন্ত্রী।