রাজধানীসহ সারাদেশে কোরবানির পশু জবাইয়ের নির্দিষ্টস্থান বা কেন্দ্র প্রাথমিকভাবে নির্ধারণ করেছে সরকার—উল্লেখ করে আব্দুল মালেক বলেন, তবে জোর করে বা আইন প্রয়োগ করে নয় বরং ধর্মীয় মূল্যবোধ ও পরিচ্ছন্নতা বিবেচনায় নির্দিষ্ট কেন্দ্রে পশু জবাইয়ে মুসল্লিদের আহবান জানানো হচ্ছে।
বুধবার স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয়ে আয়োজিত বৈঠকে এ কথা বলেন তিনি।
সরকারের পক্ষ থেকে সার্বিক সুযোগ-সুবিধার নিশ্চয়তা দিয়ে, নির্ধারিত স্থানে পশু জবাইয়ে দেশের মুসল্লিদের প্রতি আহবান জানানো হয়েছে বলেও জানান তিনি।
প্রথমবারের মতো গত বছর কোরবানির পশু জবাইয়ের জন্য সুনির্দিষ্ট স্থান নির্ধারণ করে দেয় সরকার। তবে বাসা থেকে দূরে হওয়া, পর্যাপ্ত পানির ব্যবস্থা না থাকা, অপ্রতুল পরিবহন ব্যবস্থা এবং সেইসঙ্গে এ বিষয়ে ধারণা না থাকায় সে উদ্যোগ খুব একটা সফল হয়নি।
এবার তাই আগেভাগেই তৎপর সরকার। ইতোমধ্যে প্রাথমিকভাবে কোরবানির পশু জবাইয়ের নির্দিষ্ট স্থান এবং ইমাম-মাওলানা ও কসাই নির্ধারণ করা হয়েছে।
ঢাকা উত্তরে ২০৩টি, ঢাকা দক্ষিণে ৩২৪টি, চট্টগ্রাম সিটিতে ৩৮৭টি, খুলনা সিটিতে ১৫৫টি, রাজশাহী সিটিতে ১৫০টি, বরিশালে ১৪০টি, সিলেট সিটিতে ২৭টি, নারায়ণগঞ্জ সিটিতে ১৯০টি, গাজীপুর সিটিতে ৪১৪টি, রংপুর সিটিতে ৩৩টি পশু জবাইয়ের স্থান ঠিক করা হয়েছে।