বাংলাদেশ রোড ট্রান্সপোর্ট অর্থরিটি-বিআরটির কারো বিরুদ্ধে দুর্নীতির অভিযোগ পেলে দ্রুত আইনি ব্যবস্থা নেবে জানিয়েছেন দুর্নীতি দমন কমিশন-দুদকের কমিশনার নাসিরউদ্দিন আহমেদ।
সোমবার রাজধানীতে বিআরটিএ সেবা সম্পর্কিত গণশুনানি অনুষ্ঠানে এ হুঁশিয়ারি দিয়ে দুদক কমিশনার বলেন, অভিযুক্ত কাউকেই ছাড় দেয়া হবে না।
এসময় নিজ নিজ অবস্থান থেকে হয়রানি ছাড়াই জনগণের সেবা নিশ্চিত করার নির্দেশ দেন বিআরটিএ চেয়ারম্যান নজরুল ইসলাম।
অনেকেই আছেন পাঁচ বছর বিআরটিএতে ঘুরেও নিজের গাড়ির মালিকানা পরিবর্তন করতে পারেননি— আবার কেউ কেউ দালালদের খপ্পরে পড়ে দুই বছরেরও গাড়ির লাইসেন্স হাতে পাননি।
দুদকে গণশুনানিতে ভুক্তভোগীদের হয়রানি ও সমস্যার কথা শুনেন বাংলাদেশ রোড ট্রান্সপোর্ট অথরিটি-বিআরটিএর কর্মকর্তারা। দ্রুত সমস্যা সমাধানের পাশাপাশি ভবিষ্যতে সেবাগ্রহীতারা যেন কোনো ধরনের হয়রানির শিকার না হয় সে প্রতিশ্রুতি দেন তারা।
এর আগে শুনানির শুরুতে, বিআরটিএ তে অসাধু কর্মকর্তা থাকার কথা স্বীকার করেন এর চেয়ারম্যান নজরুল ইসলাম।
হয়রানি রোধে প্রতিষ্ঠানটির নেয়া বিভিন্ন পদক্ষেপের কথা জানিয়ে তিনি আরো বলেন, ইতোমধ্যে প্রায় ৩০০ দালালকে শাস্তি দিয়েছে বিআরটিএ।
দুর্নীতি ও হয়রানি বন্ধে দুদক নিয়মিত বিআরটিএ'র কার্যক্রম মনিটর করবে বলেও জানান দুদক কমিশনার।