রাজনৈতিক দল হিসেবে জামাতের নিষিদ্ধের বিষয়টি এখন সময়ের ব্যাপার মাত্র—এ মন্তব্য করেছেন বাণিজ্যমন্ত্রী তোফায়েল আহমেদ।
এদিকে, মুক্তিযুদ্ধ বিষয়কমন্ত্রী আ ক ম মোজাম্মেল হক বলেন, যুদ্ধাপরাধীদের জন্য শাস্তি হিসেবে মৃত্যুদণ্ডই প্রাপ্য।
আর আইনমন্ত্রী আনিসুল হক বলেন, খুব শিগগিরই জামাত নিষিদ্ধের বিষয়টি সংসদে তোলা হবে।
বুধবার সকালে সচিবালয়ে নিজ নিজ দপ্তরে সাংবাদিকদের এসব কথা বলেন তারা।
মুক্তিযুদ্ধ বিষয়কমন্ত্রীমন্ত্রী বলেন, সংসদের আগামী অধিবেশনেই জামাত নিষিদ্ধের বিল উঠবে। ঠিক আইনমন্ত্রী ও একই সুরে কথা বলছেন।
একাত্তরের ঘাতক হিসেবে যুদ্ধাপরাধের দায়ে জামাত নেতাদের বিচার হয়েছে এবং হচ্ছে—প্রায় সব রায়েই যুদ্ধাপরাধী এবং মানবতাবিরোধী সংগঠন হিসেবে জামাতের বিচারের কথা বলা হয়েছে। এখন পর্যায়ক্রমে এ প্রক্রিয়া শুরু হবে বলেন তারা।
একাত্তরে মানবতাবিরোধী অপরাধের দায়ে মতিউর রহমান নিজামীর ফাঁসি কার্যকরের মধ্য দিয়ে মুক্তিযুদ্ধে শহীদ, মুক্তিযোদ্ধাদের ঋণ শোধে আরও এক ধাপ অগ্রগতি হলো উল্লেখ করে, দেশে আইনের শাসন প্রতিষ্ঠিত হচ্ছে বলে মনে করেন তারা।
নিজামীসহ এ পর্যন্ত পাঁচ জনের ফাঁসি হলেও দল হিসেবে জামাতের কী হবে—এ প্রশ্নের জবাবে বাণিজ্যমন্ত্রী বলেন, জনগণের আদালত সবচেয়ে বড় আদালত, জনগণের আদালত রায় দিয়েছে যুদ্ধাপরাধী ও মানবতাবিরোধীদের বিপক্ষে।
তোফায়েল বলেন, যুদ্ধাপরাধের দায়ে জামাত নেতাদের বিচার হয়েছে এবং হচ্ছে ওই রায়েই যুদ্ধাপরাধী এবং মানবতাবিরোধী সংগঠন হিসেবে জামাতের বিচারের কথা বলা হয়েছে। এটা এখন সময়ের ব্যাপার। পর্যায়ক্রমে জামাতকে নিষিদ্ধের প্রক্রিয়া শুরু হবে।
বাণিজ্যমন্ত্রী বলেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বাধীন সরকারের দুটি বড় অর্জন হচ্ছে বঙ্গবন্ধু হত্যার বিচার ও যুদ্ধাপরাধীদের ন্যায়সংগত বিচার সম্পন্ন করা। অনেক বাধা-বিপত্তির পরও এই দুটি বিচার সম্পন্ন হয়েছে।
তিনি বলেন, বিএনপির চেয়ারপারসন খালেদা জিয়া যুদ্ধাপরাধীদের মন্ত্রী বানিয়ে জাতীয় পতাকাকে কলঙ্কিত করেছেন এবং প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এদের বিচার করে জাতিকে কলঙ্কমুক্ত করছেন।