শিক্ষককে কান ধরে ওঠ-বস করানোর ঘটনায় সাংসদ সেলিম ওসমান দুঃখিত ও লজ্জিত— তবে তিনি ক্ষমা চাইবেন না। কারণ তার মতে ওই শিক্ষক মহান আল্লাহকে নিয়ে কটূক্তি করেছেন।
বৃহস্পতিবার দুপুরে নারায়ণগঞ্জ ক্লাব মিলনায়তনে সংবাদ সম্মেলনে এ কথা বলেন সংসদ সদস্য সেলিম ওসমান।
পরিস্থিতি সামাল দিতে গিয়ে তিনি ওই কাজ করেছেন বলে সংবাদ সম্মেলনে দাবি করেন সেলিম ওসমান বলেন, সাম্প্রদায়িক দাঙ্গা থেকে এলাকাকে রক্ষা করেছেন।
সাংসদ সেলিম ওসমানের উপস্থিতিতে নারায়ণগঞ্জ বন্দরের পিয়ার সাত্তার লতিফ উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক শ্যামল কান্তি ভক্তকে লাঞ্ছনার ঘটনায় দেশজুড়ে প্রতিবাদের ঝড় হঠে। দাবি ওঠে সেলিম ওসমানকে গ্রেপ্তারের।
আলোচিত এই সংসদ সদস্য বৃহস্পতিবার দুপুরে নারায়ণগঞ্জ ক্লাব মিলনায়তনে সংবাদ সম্মেলন করেন।
কোনো শিক্ষককে অপমান করেননি বলে দাবি করে তিনি জানান, শ্যামল কান্তি ভক্তকে জনরোষ থেকে বাঁচানোর জন্য কান ধরে ওঠবোস করিয়ে পুলিশের পাহারায় হাসপাতালে পাঠিয়েছেন তিনি।
এ ঘটনার তিনি লজ্জিত হলেও ক্ষমা চাইবেন না বলে জানান।
তিনি বলেন, ‘যদি আমাকের ক্ষমা চাই তে বলেন তবে আল্লাহ কেউ কটাক্ষ করে আমি একজন মুসলমান হিসেবে আমি কার কাছে ক্ষমা প্রার্থনা করবো আমি লজ্জিত হতে পারি, যে বিভ্রান্ত খবর প্রচারিত হয়েছে তাতে আমি সমাজের কাছে ছোট হয়েছি, আমি লজ্জিত হ তে পারি আমার আমার মহান সংসদের কাছে লজ্জি ত হতে পারি, আমি দুঃখিত হতে পারি।’
অপরাধ প্রমাণিত হলে শাস্তি মাথা পেতে নিতে রাজি বলে জানান বিতর্কিত এ সাংসদ।
তিনি বলেন, ‘আল্লাহকে কটাক্ষ করে কথা বলার জন্য আমি কাউকে শাস্তিআ দিতে পেরেছি তাতে আমার ফাঁসি হোক, তাতে সেই ফাঁসি আমি স্বচ্ছায় গলায় পরে নেব।’ যকক্ষণ পর্যন্ত আমার তদন্ত শেষ না হওয়া ততক্ষণ পর্যন্ত সংসদে যাবেন না, বিকেএমইএ, নারায়ণগঞ্জ চেম্বার অব কমার্স ও ফেডারেশনের দায়িত্বও পালন করবেন না তিনি।