যুদ্ধাপরাধের দায়ে একাত্তরের আল বদর প্রধান মতিউর রহমান নিজামীর ফাঁসি কার্যকরের পর পাকিস্তান ও তুরস্কের কর্মকাণ্ডে ক্ষুব্ধ প্রতিক্রিয়া জানিয়েছেন সেক্টর কমান্ডারস ফোরামের নেতারা।
সেক্টর কমান্ডার্স ফোরাম ‘মুক্তিযুদ্ধ’৭১ এর চেয়ারম্যান অবসরপ্রাপ্ত মেজর জেনারেল কে এম সফিউল্লাহ তুরস্ক ও পাকিস্তানের সঙ্গে সরকারের কূটনৈতিক সম্পর্ক নিয়ে নতুন করে ভাবার কথা বলেন।
সংগঠনটির ঢাকা বিভাগীয় সম্মেলনে তারা ১৯৫ জন পাকিস্তানি যুদ্ধাপরাধীকে বিচারের আওতায় আনার দাবি পুনর্ব্যক্ত করেন।
সবাইকে সজাগ থাকার আহ্বান জানিয়ে তারা সতর্ক করেন, স্বাধীনতাবিরোধী শক্তিই সারাদেশে গুপ্ত হত্যা চালাচ্ছে।
সম্প্রতি যুদ্ধাপরাধের দায়ে ফাঁসি কার্যকর হয় বদর প্রধান মতিউর রহমান নিজামীর। এর পরপরই ক্ষুব্ধ প্রতিক্রিয়া জানায় পাকিস্তান ও তুরস্ক। আর বাংলাদেশ থেকে তুরস্ক তাদের রাষ্ট্রদূতকে প্রত্যাহার করে নেয়।
পাকিস্তান ও তুরস্কের এমন প্রতিক্রিয়ার প্রতিবাদে সোচ্চার হয়েছেন মুক্তিযোদ্ধারা।
বৃহস্পতিবার রাজধানীতে সেক্টর কমান্ডারস ফোরামের ঢাকা বিভাগীয় সম্মেলনে সংগঠনটির নেতারা এ দুটি দেশের সঙ্গে সম্পর্ক রাখা না রাখার বিষয়ে নতুন করে ভাবার জন্য সরকারের প্রতি আহ্বান জানান।
অনেকেই দাবি তোলেন, মুক্তিযুদ্ধের সময়কার ক্ষতিপূরণ পেতে প্রয়োজনে জাতিসংঘের স্মরণাপন্ন হতে। এছাড়া, যুদ্ধাপরাধের দায়ে পাকিস্তানি সেনাদের বিচারের দাবিও ওঠে সম্মেলনে।
দেশে দিন দিন স্বাধীনতা বিরোধী শক্তি মাথাচাড়া দিয়ে ওঠার পায়তারা করছে এবং গুপ্ত হত্যা চালিয়ে দেশকে অস্থিতিশীল করতে চাইছে বলেও অভিযোগ করেন মুক্তিযোদ্ধারা।
নেতারা দাবি জানান, সারাদেশ থেকে যুদ্ধাপরাধীদের খুঁজে বের করে বিচারের মুখোমুখি করার।