লঞ্চ দুর্ঘটনা ও নদী দূষণ রোধে জন সাধারণের মাঝে সচেতনতা বৃদ্ধির পাশাপাশি যুগোপযোগী আইন করতে হবে বলে জানিয়েছেন বিশিষ্টজনেরা। নৌ-নিরাপত্তা বিষয়ে সরকার-লঞ্চ মালিকসহ সকলকে কাজ করতে হবে একসঙ্গে বলেও জানান তারা।
সোমবার নদী ও নিরাপত্তা বিষয়ক সংগঠন ‘নোঙর’ আয়োজিত ভাসমান সেমিনারে এসব কথা উঠে আসে।
লঞ্চ মালিক সমিতির সিনিয়র ভাইস চেয়ারম্যান মো. বদিউজ্জামান বাদল বলেন, এ সকল সমস্যা দূর করতে সকলের মানসিকতা পরিবর্তনের পাশাপাশি সরকারকে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে হবে।
এ সময় বাংলাদেশ অভ্যন্তরীণ নৌ-পরিবহনের (বিআইডব্লিউটিএ) চেয়ারম্যান মোজাম্মেল হক বলেন, বিষয়গুলো নিয়ে সরকার গুরুত্ব সহকারে কাজ করছে।
ভাসমান সেমিনারে ২৩ মে জাতীয় নৌ-নিরাপত্তা দিবস হিসেবে ঘোষণার দাবি জানানো হয়।
উল্লেখ্য, বাংলাদেশে ১৯৪৭ সাল থেকে এ বছরের ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত ২ হাজার ৫৪৫টি নৌ-দুর্ঘটনার কারণে ১৮ হাজার ২৬২ জনের মৃত্যু হয়। এর কারণ খুঁজতে গিয়ে দেখা গেছে ৪০ ভাগ দুর্ঘটনা ঘটেছে চালকের দোষে আর ২০ ভাগ মালিকের অতিলোভের কারণে এবং ১০ ভাগ জাহাজের ডিজাইনের ত্রুটির কারণে।
আর কলকারখানার ময়লা আবার্জনা নদীতে ফলে পানি দূষণ, নদী ভরাট করে অবৈধ স্থাপনা তৈরির মতো কাজ তো রয়েছেই।