বাংলাদেশ রোড ট্রান্সপোর্ট অথরিটি (বিআরটিএ) বাস ভাড়ার যে চার্ট করেছে তা বাস্তবতার নিরিখে হয়নি— সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের।
বুধবার রাজধানীর সায়েদাবাদ বাস কাউন্টারে বিআরটিএর বাস ভাড়া মনিটরিংয়ে গিয়ে সাংবাদিকদের তিনি এ কথা বলেন।
এ সময় বাস মালিক, শ্রমিক ও স্টেক হোল্ডারদের সঙ্গে সমন্বয় করে ভাড়ার বিষয়টি স্পষ্ট করতে বিআরটিএকে নির্দেশ দেন মন্ত্রী।
এ সময় শ্যামলী, মুনলাইন ও গ্রামীণ পরিবহনের বাসে উঠে যাত্রীদের সঙ্গে ভাড়া বিষয়ে কথা বলেন মন্ত্রী।
এর আগে রাজধানীর পান্থপথ মোড়ে কে কে এশিয়া, মুনলাইন, রয়েল, একুশ ও হানিফ বাস কাউন্টারে বিআরটিএর নতুন ভাড়া কার্যকর করা হচ্ছে কি না তদারকি করেন মন্ত্রী।
সেতুমন্ত্রী বলেন, তেল বা গ্যাসের মূল্য বৃদ্ধি হলে বাস ভাড়া বাড়ে— তখন পুনঃনির্ধারিত ভাড়ার চেয়েও কমে না বাড়ে আর কমলেও কমানো হয় না। এক্ষেত্রে মালিকদের মানসিকতা পরিবর্তন করা দরকার।
বাংলাদেশের কোথাও দূরত্ব ৩০০ কিলোমিটারের বেশি নয়— মালিক-শ্রমিক প্রতিনিধিদের নিয়ে কিলোমিটার প্রতি তিন পয়সা কমানো হয়েছে— তিন থেকে ৯ টাকা ভাড়া কমেছে এ ভাড়া কমানোর ব্যাপারে এত গড়িমসি কেন? ব্যবসা করতে গিয়ে কি জনস্বার্থ দেখবো না প্রশ্ন রাখেন মন্ত্রী?
বিআরটিএ যে চার্ট করেছে সে চার্ট বাস্তবতা থেকে কিছু ভুল দেখা গেছে আবারো মালিক-শ্রমিকদের সঙ্গে বেঠক করে সমন্বয় করতে হবে- বলেন মন্ত্রী।
মালিকদের উদ্দেশ্যে মন্ত্রী বলেন, অনেক মালিক বলতে পারেন, চার্টের ভাড়ার চেয়ে আমি তো কম নিচ্ছি। আমি সেটা দেখবো না, দেখবো এখন যে সিদ্ধান্ত ৩ থেকে ৯ টাকা কমানোর তা কমিয়েছেন কি না।
মন্ত্রী বিআরটিএ চেয়ারম্যানকে দোষারোপ করে বলেন, যাত্রীরা তা বলে না— যাত্রীদের অনেক অভিযোগ। বিআরটিএ সমন্বয় না করে বসে বসে শুধু তামাশা দেখেন!