চুক্তির পাঁচ বছরেও বাস্তবায়ন হয়নি সুন্দরবন রক্ষায় বাংলাদেশ-ভারতের যৌথ উদ্যোগ। সমন্বিত এ উদ্যোগ বাস্তবায়নে সরকারকে প্রস্তাব দেবে দু'দেশের বেসরকারি উন্নয়ন সংস্থার প্রতিনিধিরা। এ বিষয়ে সুন্দরবনের দুদেশের অংশেই তথ্য-উপাত্ত্ব সংগ্রহ চলছে— শিগগিরই সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ে প্রস্তাব পাঠানো হবে।
বুধবার সকালে রাজধানীতে অনুষ্ঠিত এ সংক্রান্ত এক সেমিনারে বক্তারা এ কথা বলেন।
এ সময় সাবেক ভারতীয় হাইকমিশনার পিনাক রঞ্জন চক্রবর্তী বলেন, অরক্ষিত থাকায় সুন্দরবনের বর্তমান অবস্থা ভয়াবহ। এ বিষয়ে গবেষণার কাজ চলছে বলেও জানান তিনি।
সুন্দরবনের বাংলাদেশ অংশে কাজ করা পিআরআই ভাইস চেয়ারম্যান ড. সাদিক আহমেদ বলেন, তথ্য সংগ্রহের পরই প্রস্তাব আকারে সরকারের কাছে তা উপস্থাপন করা হবে।
আর রামপালে বিদ্যুৎকেন্দ্র নির্মাণের ফলে সুন্দরবনে এর প্রভাব পড়বে কি-না এমন প্রশ্নের জবাবে প্রধানমন্ত্রী অর্থ উপদেষ্টা মশিউর রহমান বলেন, উন্নত প্রযুক্তি ব্যবহারের কারণে পরিবেশের ওপর কোনও প্রভাব পড়বে না।
বিশ্বের বৃহত্তম ম্যানগ্রোভ সুন্দরবনের ৬০% বাংলাদেশ জুড়ে, আর বনের বাদ বাকি অংশ ভারতে। এর জীববৈচিত্র, পরিবেশ ও সম্পদের গুরুত্ব বিবেচনায় নিয়ে ২০১১ সালে ভারত সফরের সময়, দেশটির সরকারের সঙ্গে একটি সমঝোতাস্মারক স্বাক্ষর করেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।
গত ৫ বছরেও তা বাস্তব রূপ পায়নি। এরপর ২০১৫ সালে সুন্দরবন নিয়ে একযোগে কাজ শুরু করে বাংলাদেশের অংশে পলিসি রিসার্স ইনস্টিটিউট-পিআরআই আর ভারতের অংশে অবজারভার রির্সাস ফাউন্ডেশন। এর সঙ্গে যুক্ত রয়েছে বিশ্বব্যাংকসহ আরও দুটি সংগঠন।