জামাত-শিবির মননা প্রশাসনের লোকজনের মদদেই নির্বাচনকালীন সময়ে সারাদেশে তাণ্ডব চলছে বলে অভিযোগ করেছে ঘাতক-দালাল নির্মূল কমিটি।
বৃহস্পতিবার সকালে ঘাতক-দালাল নির্মূল কমিটি চার সদস্যের একটি প্রতিনিধি দল সাত দফা দাবি নিয়ে কমিশনে যায়।
এ অবস্থায় নির্বাচনকেন্দ্রিক সাম্প্রদায়িক সহিংসতা প্রতিরোধে কমিশনের হস্তক্ষেপ কামনা করেছে কমিটি।
সিইসি'র সঙ্গে দেড় ঘণ্টার বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে কমিটির ভারপ্রাপ্ত সভাপতি শাহরিয়ার কবির বলেন, নির্বাচনকে কেন্দ্র করে সংঘটিত সহিংসতা পুলিশ ও প্রশাসনের সহযোগিতা ছাড়া ঘটানো সম্ভব নয়।
ঝুঁকিপূর্ণ নির্বাচনী এলাকায় সন্ত্রাসীদের মদদদাতা হিসেবে প্রশাসনের লোকজনের জড়িত থাকার প্রমাণ পেলে ব্যবস্থা নেয়ার দাবিও জানান তারা।
এছাড়া নির্বাচনী দায়িত্বে থাকা প্রশাসনের কারো সহিংসতায় সংশ্লিষ্ট থাকার প্রমাণ পেলে তাৎক্ষণিকভাবে বদলির দাবিও জানিয়েছেন শাহরিয়ার কবির।
নির্বাচনকালীন সময়ে সাম্প্রদায়িক সহিংসতা বন্ধে নির্বাচন কমিশনের হস্তক্ষেপ চেয়ে সাত দফা দাবি পেশ করে এসব জানায় তারা। চলমান ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনকে কেন্দ্র করে বিভিন্ন এলাকায় সন্ত্রাসী হামলা ও হত্যাকাণ্ডের ঘটনা উদ্বেগজনকভাবে বেড়ে চলেছে।
নির্বাচনী সহিংসতায় এ পর্যন্ত মারা গেছেন কমপক্ষে ১০১ জন। আর আহত হয়েছেন পাঁচ হাজারেরও বেশি মানুষ।
বেশির ভাগ আক্রমণই সংখ্যালঘু ধর্মীয় সম্প্রদায় অধ্যুষিত এলাকায় চালানো হচ্ছে বলেও দাবি বিভিন্ন মহলের। এরইমধ্যে সহিংসতার শিকার শতাধিক হিন্দু পরিবার দেশ ত্যাগ করতে বাধ্য হয়েছে বলেও সরকারের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে।