জাপানের প্রধানমন্ত্রী শিনজো আবের সঙ্গে দ্বিপাক্ষিক বৈঠক করেছেন বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।
স্থানীয় সময় শনিবার সকাল ১০টার পর নাগোয়ায় ম্যারিওট অ্যাসোসিয়া হোটেলে এ বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়।
এতে বাংলাদেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আবুল হাসান মাহমুদ আলীসহ দু'দেশের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা অংশ নেন। বৈঠকে দুই দেশের স্বার্থ সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন বিষয় নিয়ে আলোচনা করেন দুই প্রধানমন্ত্রী।
এর আগে শ্রীলঙ্কার প্রেসিডেন্ট মৈথিপালা সিরিসেনার সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেন শেখ হাসিনা। সকাল ৯টার দিকে হোটেল হিলটন নাগোয়ায় এ বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়।
এ সময় সামাজিক ও নারীর উন্নয়নে বাংলাদেশের অগ্রগতির প্রশংসা করেন শ্রীলঙ্কান প্রেসিডেন্ট। সেইসঙ্গে শেখ হাসিনা সরকারের প্রতি সহযোগিতা অব্যাহত রাখার আশ্বাস দেন তিনি।
এ দুই বৈঠকের পরপরই প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ও তার সফর সঙ্গীরা ট্রেনযোগে পৌঁছান জাপানের রাজধানী টোকিওতে।
এর আগে শুক্রবার সকালে কাশিকো দ্বীপের শিমা কানকো হোটেলের ব্যাংকোয়েট হলে আউটরিচ বৈঠকে অংশ নেন প্রধানমন্ত্রী শেক হাসিনা। সেখানে বিশ্ব নেতাদের সঙ্গে আঞ্চলিক ও বৈশ্বিক বিভিন্ন বিষয় নিয়ে আলোচনা করেন তিনি। সেই সঙ্গে বিশ্ব নেতৃত্বের অবস্থান ও দৃষ্টিভঙ্গি থেকে উন্নয়নে তার নিজস্ব কৌশল ও ভবিষ্যৎ উন্নয়ন ভাবনা তুলে ধরেন প্রধানমন্ত্রী।
প্রধানমন্ত্রী এই সম্মেলনে উন্নত অবকাঠামো বিনির্মাণ, নারীর ক্ষমতায়ন, স্বাস্থ্য ও পরিবেশ বিষয়ে বৈশ্বিক ভাবনা তুলে ধরেন। কানেকটিভিটিকে সামনে রেখেই অবকাঠামোগত উন্নয়নের ওপর জোর দেন প্রধানমন্ত্রী।
বিকেলে জি-৭'র অন্যতম সদস্য ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী ডেভিড ক্যামেরনের সঙ্গে দ্বিপক্ষীয় বৈঠকে অংশ নেন বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। বৈঠকে অর্থনীতি, সামাজিক ও নারী উন্নয়নে বাংলাদেশের অগ্রগতির ভূয়সী প্রশংসা করেন ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী।
এছাড়াও আউটরিচ মিটিংয়ের পাশাপাশি প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট বারাক ওবামাসহ বিশ্বনেতাদের সঙ্গে বিভিন্ন বিষয় নিয়ে আলোচনা করেন।