শিক্ষা, বয়স আর বৈবাহিক অবস্থার ওপর নির্ভরশীল নারীদের তথ্য পাওয়ার অধিকার— একইসঙ্গে জানার অভাব, কর্মকর্তাদের অসহযোগিতা এবং সামাজিক অবস্থানের কারণেও নারীরা তথ্য অধিকার প্রতিষ্ঠায় বৈষম্যের শিকার হচ্ছে।
সোমবার সকালে রাজধানীতে আয়োজিত মানুষের জন্য ফাউন্ডেশন ও আমেরিকার দ্যা কার্টারসেন্টারের যৌথ গবেষণায় এসব তথ্য উঠে এসেছে।
বিভিন্ন ক্ষেত্রে নারীদের তথ্য পাওয়ার অধিকারের বিষয়ে যৌথভাবে গবেষণার জন্য ঢাকা, খুলনা, খাগড়াছড়িসহ দেশের ৬টি জেলায় চালানো হয়।
তথ্য পাওয়ার ক্ষেত্রে নারী-পুরুষ সমতার কথা বলা হলেও সরকারি তথ্য পেতে পুরুষদের চেয়ে নারীরা গুরুত্ব কম পান। এর কারণ হিসেবে শিক্ষা, বয়স আর বৈবাহিক অবস্থার কথা উল্লেখ করা হয়েছে।
এ প্রসঙ্গে তথ্য কমিশনের প্রধান তথ্য কমিশনার বলেন, তথ্য অধিকার আইন বাস্তবায়নে সরকার কাজ করে যাচ্ছে। জনবল সীমাবদ্ধতা থাকা সত্তেও কর্মকর্তারা সেবা দিয়ে যাচ্ছে। তবে সচেতনতা বাড়াতে আরও সময় লাগবে।
গবেষণা প্রতিবেদনে তথ্য পাওয়া বা জানার ক্ষেত্রে সরকারের প্রচার-প্রচারণার অপর্যাপ্ততার বিষয়টিও তুলে ধরা হয়েছে।