রোজায় শতভাগ নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ সরবরাহ সম্ভব নয়— তবে গতবারের চেয়ে পরিস্থিতির বেশ কিছুটা উন্নতি হবে বলে জানিয়েছেন বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ প্রতিমন্ত্রী নসরুল হামিদ।
সোমবার রাজধানীতে ঘোড়াশাল চতুর্থ ইউনিটের সংস্কার নিয়ে এক চুক্তি স্বাক্ষর অনুষ্ঠানে তিনি এ কথা বলেন।
নসরুল হামিদ বলেন, বিদ্যুৎ উৎপাদন কেন্দ্রে গ্যাস সরবরাহ বাড়াতে রোজায় বিকাল ৩ টা থেকে রাত ১০ পর্যন্ত সিএনজি স্টেশনে গ্যাস সরবরাহ বন্ধ থাকবে।
সারাদেশে বর্তমানে বিদ্যুতের চাহিদা প্রায় সাড়ে ৮ হাজার মেগাওয়াট। রোজায় এ চাহিদা আরো বেড়ে ৯ হাজার মেগাওয়াট হতে পারে বলে মনে করছে বিদ্যুৎ বিভাগ। বর্তমানে ৮ থেকে ৯ হাজার মেগাওয়াটে উন্নিত করতে প্রয়োজন হবে বাড়তি গ্যাসের।
সিএনজি স্টেশনে প্রতিদিন গড়ে ৮ ঘণ্টা গ্যাস সরবরাহ বন্ধ এবং যমুনা সারখানা বন্ধ রেখে ঘাটতি পূরণ করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার।
এ জন্য সংশ্লিষ্টদের সরকারি নির্দেশনা যথাযথভাবে মেনে চলার নির্দেশ দিয়েছেন বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ প্রতিমন্ত্রী।
এর পরেও গ্রাহকদের ১০০ ভাগ নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ দেয়ার নিশ্চয়তা দিতে পারছে না কর্তৃপক্ষ। কারণ, এ পরিমান বিদ্যুৎ গ্রাহকদের কাছে পৌঁছে দিতে যথেষ্ট পরিমান সঞ্চালন লাইন নেই।
এর আগে ঘোড়াশাল চতুর্থ ইউনিট বিদ্যুৎ কেন্দ্রের উৎপাদন ক্ষমতা বাড়াতে চায়না এনার্জি ইঞ্জিনিয়ারিং এর সঙ্গে একটি চুক্তি স্বাক্ষর করে বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ড।
চুক্তি অনুযায়ী, ২০১৮ সালে বর্তমানের ১৭০ মেগাওয়াটের জায়গায়, বিদ্যুৎ উৎপাদন বেড়ে দাঁড়াবে ৪০৯ মেগাওয়াট। এ জন্য অতিরিক্ত গ্যাসের দরকার হবে মাত্র ১৮ শতাংশ। আর ব্যয় হবে প্রায় ২২ কোটি ইউএস ডলার।