দেশের ১৬ কোটি মানুষকে পুলিশি সুরক্ষা দেয়া সম্ভব নয়— তাই জঙ্গিদের মূল উৎপাটন করে সুরক্ষা তৈরি করতে হবে এজন্য সন্ত্রাসী সংগঠন ও এর মদতদাতাদের আঁতাত ভেঙে দিতে হবে অন্যথায় দেশ নিরাপদ হবে না বলে মত দেন দেশের বিশিষ্টজনেরা।
এ সময় জঙ্গিবাদ, সন্ত্রাস দমনে শিক্ষাব্যবস্থায় পরিবর্তন আনার তাগিদ দেন তারা।
শনিবার সকালে রাজধানীর সিরডাপ মিলনায়তনে সম্মিলিত নাগরিক সমাজ আয়োজিত গোলটেবিল আলোচনায় এ কথা বলেন কক্তারা।
একই সঙ্গে বিদ্যালয় থেকেই শিশুদের মাঝে সন্ত্রাসবিরোধী মনোভাব গড়ে তোলার পরামর্শ তাদের।
সাম্প্রতিক সময়ে বিভিন্ন হত্যার ঘটনায় উদ্বেগ প্রকাশ করে তারা আরো বলেন, সন্ত্রাসীদের রাজনৈতিক, অর্থনৈতিক এবং সামাজিকভাবে প্রতিহত করতে তরুণ সমাজকে উদ্বুদ্ধ করতে হবে।
আর এজন্য নাগরিক সমাজ সরকারকে সব ধরনের সহযোগিতা দেবে বলেও আশ্বস্ত করেন তারা।
আব্দুর রশিদ বলেন, জঙ্গিদের রাজনৈতিক হাতিয়ার বানানোর কুশীলবদের নজর রাখতে হবে। কেননা, ভিনদেশি মদত প্রবাহিত হয় দেশিয় পৃষ্ঠপোষকদের মাধ্যমে। তাই পৃষ্ঠপোষক থেকে জঙ্গিদের আলাদা করতে হবে।
জঙ্গিবাদের দানবীয় শক্তিকে বিনাশ করতে জনগণের এগিয়ে আসার প্রতিও জোর দিয়ে তিনি ১৬ কোটি মানুষের সবাইকে পুলিশের পক্ষে নিরাপত্তা দেয়া সম্ভব নয় বলে জানান।
পিকেএসএফের সভাপতি ড. কাজী খলীকুজ্জমানের সভাপতিত্বে বৈঠক চলছে। এতে উপস্থিত রয়েছেন- বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য একেএম নূর-উন-নবী, সাবেক প্রধান তথ্য কমিশনার রাষ্ট্রদূত মোহাম্মদ জমির, সেক্টর কমান্ডারস ফোরামের সহ-সভাপতি ম হামিদ প্রমুখ।