শ্রদ্ধা আর ভালোবাসায় সিক্ত হয়ে চিরনিদ্রায় শায়িত হলেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক উপাচার্য মনিরুজ্জামান মিঞা। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় মসজিদে নামাজে জানাজা শেষে বনানী কবরস্থানে দাফন করা হয়েছে প্রখ্যাত এ শিক্ষাবিদকে।
মনিরুজ্জামানের প্রয়াণকে অপূরণীয় ক্ষতি বলে মনে করেন তার দীর্ঘদিনের সহকর্মী, রাজনীতিবিদ ও বিশিষ্টজনেরা।
অনেকটা নিরবেই চলে গেলেন অধ্যাপক মনিরুজ্জামান মিঞা। জীবনের শেষ দিনগুলোতে থেকেছেন অনেকটাই লোকচক্ষুর আড়ালে। পেশাজীবনে ছিলেন বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক। বিদেশে বাংলাদেশের প্রতিনিধিত্ব করেছেন রাষ্ট্রদূত হিসেবে, স্বৈরাচারবিরোধী সংগ্রামেও ছিলেন অগ্রণী ভূমিকায়।
সোমবার রাজধানীর একটি হাসপাতালে শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন বিএনপিপন্থী বুদ্ধিজীবীদের মধ্যে অন্যতম মনিরুজ্জামান মিঞা। মঙ্গলবার তার মরদেহ নিয়ে আসা হয় দীর্ঘদিনের কর্মস্থল ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে।
প্রিয় সহকর্মী, রাজনীতিবিদ ও বিশিষ্টজনদের শ্রদ্ধা-ভালোবাসায় সিক্ত হন মনিরুজ্জামান মিঞা।
প্রখ্যাত এ শিক্ষাবিদের বর্ণাঢ্য জীবনের নানা বিষয়ে স্মৃতিচারণ করেন তারা।
৯০-এ স্বৈরাচার বিরোধী আন্দোলনে তার ভূমিকার কথাও তুলে ধরেন কেউ কেউ।
ভুগোল ও পরিবেশ বিভাগে প্রথম নামাজে জানাজার পর ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় মসজিদে ২য় নামাজে জানাজা হয় মনিরুজ্জামান মিঞার।
গুলশানের আজাদ মসজিদে ৩য় নামাজে জানাজা শেষে বনানীতে তার বাবার কবরে সমাহিত হন বিএনপিপন্থী এ পেশাজীবী নেতা।