রাজধানীর মগবাজার-মৌচাক ফ্লাইওভারের কারণে ক্ষতিগ্রস্ত সড়ক মেরামত ও যানচলাচল স্বাভাবিক করার বিষয়ে ফ্লাইওভার নির্মাণ প্রতিষ্ঠান তমা গ্রুপকে বার বার চিঠি দেয়ার পরও কেন কাজ এগোচ্ছে না— এ নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন স্থানীয় কাউন্সিলরা।
মগবাজার-মৌচাকে রাস্তার দূরবস্থার জন্য সমন্বয়হীনতাকেই দায়ী করছেন তারা। মন্ত্রী-মেয়রের প্রতিশ্রুতির পরও পরিস্থিতির কোনো উন্নতি হয়নি। দিনকে দিন বাড়ছে জনদুর্ভোগ।
বর্তমান সময়ে রাজধানীবাসীর সবচেয়ে বড় দুর্ভোগের নাম নির্মাণাধীন মগবাজার- মৌচাক সমন্বিত ফ্লাইওভার। এর নির্মাণে ধীরগতি আর অব্যবস্থাপনার কারণে জনদুর্ভোগ সীমা ছাড়িয়ে গেছে।
ভাঙা রাস্তায় চলাচলে বিঘ্ন ঘটায় একদিকে যেমন ঘণ্টার পর ঘণ্টা বসে থাকতে হচ্ছে যানজটে তেমনি অব্যবস্থাপনার কারণে ঘটছে দুর্ঘটনা। নির্মাণাধীন ফ্লাইওভারের সরঞ্জামের আঘাতে এরই মধ্যে মৃত্যুও হয়েছে কয়েকজন শ্রমিকের।
সম্প্রতি ফ্লাইওভারের কাজের অগ্রগতি পরিদর্শন করেন সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের, সঙ্গে ছিলেন স্থানীয় সরকার প্রতিমন্ত্রীও। যান চলাচল স্বাভাবিক ও জনদুর্ভোগ কমাতে সময়ও বেধেঁ দিয়ে ছিলেন ৭ দিন। দক্ষিণের মেয়রেরও ছিল একই আশ্বাস।
তবে সেই ৭ দিন পেরিয়ে গেছে বেশ কিছুদিন আগেই কাজের কাজ হয়নি এতটুকুও।
এ নিয়ে স্থানীয় কাউন্সিলরদের তৎপরতা জানতে চাইলে তারাও সেই সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ের দিকেই আঙ্গুল তুলছেন। তাগিদ দেয়ার পরও ফ্লাইওভার নির্মাণ প্রতিষ্ঠান কেন কাজ শেষ করতে পারছে না এ নিয়ে প্রশ্নও তুলেছেন তারা।
এ রাস্তা মেরামত না করতে ফ্লাইওভার নিমার্ণ প্রতিষ্ঠান ও এলজিআরডি মন্ত্রণালয়ের যোগসাজশ রয়েছে বলেও মনে করেন তারা।
কবে শেষ হবে ফ্লাইওভারের কাজ ! এমন প্রশ্ন তুলে দুর্ভোগ থেকে রেহাই চাইছেন সাধারণ মানুষ।