বিজ্ঞান লেখক অভিজিৎ রায় হত্যার প্রায় দেড় বছর পর আরো একটি সিসি ক্যামেরার ভিডিও ফুটেজ প্রকাশ করেছে পুলিশ।
এদিকে, বিজ্ঞান লেখক অভিজিৎ হত্যার দায়ে শরিফুল কথিত বন্দুকযুদ্ধে নিহত হন। সন্দেহভাজন জঙ্গিদের নিহত হওয়ার ঘটনা এরইমধ্যে সমালোচনার ঝড় তুলেছে গণমাধ্যমে।
নিহত শরীফ আদৌ অভিজিৎ রায়ের হত্যার সঙ্গে জড়িত ছিল কি-না; এ নিয়ে সন্দেহ প্রকাশ করেছেন অভিজিতের বাবা অধ্যাপক অজয় রায়।
আর পুলিশ বলছে, রাজধানীর মেরাদিয়ায় কথিত ‘বন্দুকযুদ্ধে’ নিহত অভিজিৎ হত্যার মূলহোতা শরিফুল ওরফে শরিফকে এ ভিডিওতে স্পষ্ট চিহ্নিত করা গেছে।
লেখক-ব্লগার হত্যায় অন্তত ৭টি ঘটনায় শরীফ জড়িত ছিল বলেও পুলিশ দাবি।
তবে নিহতর মরদেহ নিতে গিয়ে তার পরিবারের সদস্যরা জানিয়েছেন, সাতক্ষীরার কলেজ ছাত্র এ যুবকের আসল নাম মুকুল রানা। বিয়ে করে গতবছর ফেব্রুয়ারি থেকে সে ঢাকায় থাকতো। জঙ্গি সংশ্লিষ্টতার বিষয়ে তারা কিছুই জানেন না।
গত বছরের ২৬ ফেব্রুয়ারি একুশে বইমেলা থেকে ফেরার পথে দুর্বৃত্তরা চাপাতি দিয়ে কুপিয়ে হত্যা করে বিজ্ঞান লেখক অভিজিৎ রায়কে। ৩ স্তরের নিরাপত্তার ভেতরেই খুনিরা পালিয়ে যায় সবার চোখের সামনে। ওইদিনের সিসি ক্যামেরার ভিডিওচিত্র প্রকাশ করেছে পুলিশ। ভিডিওতে তাদের পেছনে মোবাইল হাতে এক যুবককে হাঁটতে দেখা যায়।
পুলিশ বলছে, সে বইমেলায় অভিজিতের গতিবিধির উপর নজর রাখছিল। আর এ যুবকই শনিবার গভীর রাতে রাজধানীর মেরাদিয়ায় ‘বন্দুকযুদ্ধে' নিহত শরীফুল ওরফে শরীফ। পুরস্কার ঘোষিত পলাতক ৬ জঙ্গির একজন শরীফ ছিলেন।
পুলিশের দাবি, আনসারুল্লাহ বাংলাটিমের সদস্য ছিল সে। বিভিন্ন ছদ্মনামের কথা পুলিশ বললেও নিহতর মরদেহ নিতে এসে তার আসল নাম ‘মুকুল রানা’ বলে জানিয়েছে তার পরিবার। কোনো জঙ্গিগ্রুপের সঙ্গে তার সংশ্লিষ্টতার বিষয়ে তারা কিছু জানতেন না।
কথিত মুকুল রানা সাতক্ষীরা কলেজে পড়ার সময় গত বছর ফেব্রুয়ারিতেই ঢাকায় চলে আসেন।