ঈদের ছুটির প্রথম দিনে ব্যাপক সংখ্যায় রাজধানী ছাড়তে শুরু করেছেন ঘরমুখো মানুষ। শুক্রবার সকালের ট্রেনগুলোতে ভিড় কিছুটা কম থাকলেও বেলা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গেই ভিড় বাড়ছে স্টেশনে। কিছুটা বদলেছে দু-একটা ট্রেনের শিডিউল।
বিকেলে স্টেশন পরিদর্শন শেষে রেলমন্ত্রী মুজিবুল হক জানিয়েছেন, যান্ত্রিক ত্রুটির কারণে শিডিউলের সামান্য হেরফের হতে পারে।
ঈদ আসলেই ব্যস্ত রাজধানী ছেড়ে প্রিয়জনের কাছে ছুটে যান বিভিন্ন জেলার মানুষগুলো। সামনেই সেই খুশির ঈদ, আর তাই সকাল থেকেই কমলাপুর রেলস্টেশনে ঘরমুখো মানুষের ভিড়। তবে ঈদের অনেক আগে ছুটি শুরু হওয়ায় এবার সেই ভিড়টা বেশ কম।
টানা ৯ দিনের ছুটি পাওয়ায়, এবার ঈদের আনন্দে যুক্ত হয়েছে নতুন মাত্রা। বড়দের তুলনায় ঈদ উদযাপনে ছোটদের আয়োজনের তালিকাটাও দীর্ঘ।
ট্রেন আসছে, আবার গন্তব্যের উদ্দেশ্যে তা ছেড়েও যাচ্ছে। শিডিউল মোটামুটি ঠিক থাকলেও মাঝেমধ্যে দু-একটা ট্রেন ছাড়ছে দেরিতে।
প্রতিদিন ৬৬ জোড়া ট্রেন ঢাকার কমলাপুরে আসছে ও ফিরে যাচ্ছে। ৩ জুলাই থেকে সে তালিকায় যুক্ত হবে আরো তিন জোড়া বিশেষ ট্রেন।
এদিকে, সরকারি ছুটির প্রথম দিনে ঈদে ঘরে ফেরা মানুষের তেমন ভিড় দেখা যায়নি সদরঘাট লঞ্চ টার্মিনালে।
সুশৃঙ্খল পরিবেশে দুর্ভোগ ছাড়াই বাড়ি ফিরছেন ঘরমুখো মানুষ। ঈদের ছুটি কিছুটা বেশি হওয়ায় লঞ্চ টার্মিনালে চাপ নেই বলে খুশি যাত্রীরা। সকালে সদরঘাট থেকে চাঁদপুর ও শরীয়তপুরগামী লঞ্চগুলো ছেড়ে গেছে। তবে লঞ্চ মালিক সমিতির অবহেলাও অব্যবস্থাপনার অভিযোগ করেছেন কিছু যাত্রীরা।
দেশের দক্ষিণাঞ্চলের মানুষের বাড়ি ফেরার অন্যতম বাহন হচ্ছে লঞ্চ। প্রতিদিন রাজধানীর সদরঘাট টার্মিনাল থেকেই এসব লঞ্চ ছেড়ে যায় দক্ষিণাঞ্চলের বিভিন্ন জেলায়। প্রতিবার ঈদের সময় সদরঘাট এলাকায় থাকে মানুষের বাড়তি ভিড় ও বিড়ম্ববনা।
তবে এবার ঈদের ছুটি কিছুটা বেশি হওয়ায় টার্মিনালে নেই ঘরমুখো মানুষের চাপ। শুক্রবার সকালে সদরঘাটে গিয়ে দেখা গেছে, যাত্রীদের এমন ঢিলে-ঢালা চিত্র। লঞ্চে অতিরিক্ত যাত্রী চাপ নেই, স্বাভাবিকের মতোই যাত্রী নিয়ে টার্মিনাল ছাড়ছে লঞ্চগুলো।
টার্মিনালে অতিরিক্ত ভিড় কিংবা কোনো দুর্ভোগ না থাকায় ঝামেলা ছাড়াই আরামদায়ক পরিবেশে বাড়ি যেতে পেরে খুশি যাত্রীরা।