রাজধানীর গুলশানে হলি আর্টিজান বেকারি রেস্তোরাঁয় জঙ্গি হামলায় হতাহতের ঘটনায় শেখ হাসিনাকে ফোন দিয়েছেন ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি ও জাপানের প্রধানমন্ত্রী শিনজো আবে।
শনিবার তারা সব সংকটে বাংলাদেশের পাশে থাকার আশ্বাস দিয়েছেন।
প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় থেকে পাঠানো সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে, সকালে জাপানের প্রধানমন্ত্রী শিনজো আবে এবং বিকেলে ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে ফোন দেন।
তারা দুজনই গতরাতের সন্ত্রাসী হামলার তীব্র নিন্দা জানান এবং সরকারের গৃহীত তড়িৎ ব্যবস্থার প্রশংসা করেন।
প্রধানমন্ত্রী তাদের ধন্যবাদ জানান এবং জিম্মি উদ্ধারে সরকারের নেয়া ব্যবস্থাগুলো সম্পর্কে অবহিত করেন।
প্রধানমন্ত্রী সন্ত্রাস ও জঙ্গিবাদের বিরুদ্ধে তার সরকারের জিরো টলারেন্সের কথা পুনর্ব্যক্ত করেন। ভারত ও জাপানের প্রধানমন্ত্রীও বাংলাদেশের যেকোনো প্রয়োজনে পাশে থাকার কোথাও পুনর্ব্যক্ত করেন।
ভারতের প্রধানমন্ত্রী বলেন, এ ঘটনার তদন্ত থেকে শুরু করে যেকোনো পর্যায়ে সাহায্য করতে ভারত প্রস্তুত রয়েছে—এছাড়া প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা আহত জাপানি নাগরিকের যথাযথ চিকিৎসার বিষয়ে জাপানের প্রধানমন্ত্রীকে আশ্বস্ত করেন।
প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সঙ্গে টেলিফোনে কথা বলার পর ভারতের প্রধানমন্ত্রী এক টুইট বার্তায় বলেন, ‘ঢাকায় এ হামলা আমাকে বর্ণনাতীত ব্যথিত করেছে। আমি বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সঙ্গে কথা বলে এই কাপুরুষোচিত হত্যার তীব্র নিন্দা জানিয়েছি। ভারত বাংলাদেশি ভাই বোনদের পাশে আছে। নিহতদের প্রতি সমবেদনা, আহতদের দ্রুত সুস্থ হওয়ার জন্য প্রার্থনা করি।
এদিকে ভারতের পররাষ্ট্রমন্ত্রী সুষমা স্বরাজ এক টুইট বার্তায় গুলশানের ওই ঘটনার তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানান।
১৮ বছর বয়সী তারুশী জেইন নামে ভারতীয় এক তরুণী নিহত হয়েছে বলেও টুইট বার্তায় উল্লেখ করেন তিনি।
প্রসঙ্গত: জিম্মি ঘটনায় ২০ জনের মরদেহ উদ্ধার, অভিযানের শুরু পুলিশের দুই কর্মকর্তা নিহত।