গুলশানে রেস্তোরাঁয় জঙ্গি হামলায় নিহত ২০ জনের পরিচয় সনাক্ত করা হয়েছে। যাদের ১৭ জন বিদেশি।
শনিবার রাতে আইএসপিআর বিজ্ঞপ্তিতে তাদের পরিচয় জানানো হয়।
নিহত বিদেশিদের মধ্যে ৯ জন ইতালির, ৭ জন জাপানি ও একজন ভারতের নাগরিক। বাকি ৩ জন বাংলাদেশি, যাদের মধ্যে একজনের যুক্তরাষ্ট্রেরও নাগরিকত্ব রয়েছে।
ফারাজ হোসেন ও অবিন্তা কবীর বাংলাদেশি, ইশরাত আখন্দ বাংলাদেশি-আমেরিকান, তারুশি জৈন ভারতীয়।
বাংলাদেশি ২ জনের মধ্যে রয়েছেন বিজিএমইএ'র পরামর্শক ইশরাত আকন্দ এবং ব্যবসায়ী লতিফুর রহমানের নাতি ফারাজ। অন্যজন ল্যাভেন্ডারের মালিকের নাতনী অবিন্তা কবীর বাংলাদেশি-আমেরিকান।
এদিকে, নিহত ৯ ইতালীয় নাগরিক মধ্যে রয়েছেন-বারিধারা ভিত্তিক ইতালীয় বায়িং হাউজ স্টুডিও টেক্স লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক নাদিয়া বেনেদিত্তি এবং গুলশান ২ নম্বরের আরেক ইতালীয় বায়িং হাউজ ডেকাওয়ার্ল্ডের প্রাইভেট লিমিটেডের এমডি ভিনচেনসো দালেস্ত্রো।
বাকী নিহত ইতালীয়রা হলেন: ক্লাউদিয়া দান্তোনা , আদেলে পুলিজি, ক্রিস্তিয়ান রসি, মার্কো তোন্দাৎ, সিমোনা মন্তি, ক্লাউদিয় কাপেল্লি ও মারিয়া রিবেলি—টেক্সটাইল ব্যবসার কাজে বাংলাদেশ সফরে আসেন।
৭ জাপানি হলেন: তানাকা হিরোশি, সাকাই ইউকু, কুরুসাকি নুবুহিরি, ওকামুরা মাকাতো, শিমুধুইরা রুই, হাসিমাতো হিদেকো ও কোয়ো ওগাসাওয়ার।
নিহতদের মৃতদেহ সম্মিলিত সামরিক হাসপাতালে রাখা হয়েছে।
এর আগে, দুপুরে সংবাদ সম্মেলন করে আইএসপিআর এর পক্ষ থেকে জানানো হয়, শুক্রবার রাতেই ২০ জনকে কুপিয়ে হত্যা করা হয়। ৭ হামলাকারীর মধ্যে ৬ জন নিহত এবং ১২ জনকে উদ্ধার করার কথা নিশ্চিত করা হয়।
শুক্রবার রাত পৌনে ৯টার দিকে গুলশান ২ নম্বরের হলি আর্টিজেন বেকারিতে একদল অস্ত্রধারী ঢুকে বিদেশিসহ বেশ কয়েকজনকে জিম্মি করে। শনিবার সকালে কমান্ডো অভিযান চালিয়ে ওই রেস্তোরাঁর নিয়ন্ত্রণ নেয় নিরাপত্তা বাহিনী।