ঢাকায় সর্বশেষ ভয়াবহ হামলা-হত্যাযজ্ঞ সন্ত্রাসবাদ দমন ইস্যুতে সরাসরি বিশ্ব সম্প্রদায়কেই চ্যালেঞ্জের মুখে ফেলেছে।
গুলশানের হলি আর্টিজান রেস্তোরাঁয় বন্দুকধারীদের হামলা ও বিভিন্ন দেশের ২০ জন নাগরিককে হত্যার তীব্র নিন্দা জানিয়ে ইউরোপীয় ইউনিয়ন (ইইউ) সদরদপ্তরের দেয়া বিবৃতিতে এ কথা বলা হয়েছে।
বিবৃতিতে এ দুঃসময়ে বাংলাদেশের জনগণ ও সরকারের পাশে থাকার ও সন্ত্রাসবাদ দমনে বাংলাদেশের সঙ্গে যৌথ প্রচেষ্টার ঘোষণা দিয়েছে ইইউ।
রোববার ইউরোপীয় ইউনিয়নের পররাষ্ট্র ও নিরাপত্তা নীতি বিষয়ক হাই-রিপ্রেজেনটিটিভ ফ্রেডারিকা মগহারিনি এ বিবৃতি দেন। তিনি ইতালির একজন প্রভাবশালী রাজনীতিক।
বিবৃতিতে ফ্রেডারিকা মগহারিনি বলেন, 'শুক্রবার রাতে ঢাকায় সন্ত্রাসবাদী হামলা হয়েছে তাতে একাধিক দেশের ২০ জন নাগরিকের নির্মমভাবে নিহত হওয়ার ঘটনা সন্ত্রাসবাদ দমন ইস্যুতে সরাসরি বিশ্ব সম্প্রদায়কেই চ্যালেঞ্জের মুখে ফেলে দিয়েছে। সন্ত্রাসবাদ এখন বিশ্বের জন্য বড় হুমকি ও আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়কে ঐক্যবদ্ধভাবেই এর মোকাবেলা করতে হবে।'
তিনি বলেন, এ দুঃসময়ে ইউরোপীয় ইউনিয়ন বাংলাদেশের জনগণ ও সরকারের পাশে আছে—সন্ত্রাসবাদ দমনে বাংলাদেশের সঙ্গে যৌথ প্রচেষ্টা আরো জোরদার করবে ইইউ।
একইসঙ্গে যেসব দেশের নাগরিকরা এ ঘটনায় প্রাণ হারিয়েছেন তাদের প্রতি সহমর্মী ইইউ।
ফ্রেডারিকা আরো বলেন, এ হামলার ঘটনা নিয়ে ইতালির পররাষ্ট্রমন্ত্রীর সঙ্গে কথা বলেছেন এবং ঢাকায় ইইউ প্রতিনিধি দলের পক্ষ থেকে এ বিষয়ে ইতালি দূতাবাসকে সব ধরনের সহযোগিতা দেয়া হচ্ছে বলেও জানিয়েছেন তিনি।
শনিবার জিম্মিদের উদ্ধার অভিযানে নামে যৌথবাহিনী। অপারেশন থান্ডারবোল্টের মাধ্যমে ৩ জন বিদেশি তারমধ্যে একজন জাপানি এবং ২ জন শ্রীলঙ্কান নাগরিকসহ ১৩ জনকে জীবিত উদ্ধার করতে সক্ষম হয় যৌথ বাহিনী। অভিযানে ৭ জন সন্ত্রাসীর মাধ্যমে ৬ জন নিহত এবং একজন সন্দেহভাজন হিসেবে আটক করা হয়। শুক্রবার রাতে মারা যান দুই পুলিশ কর্মকর্তা। শুক্রবার রাতে ২০ জন হত্যা করে সন্ত্রাসীরা।