এগারোতম এশিয়া-ইউরোপ সম্মেলনে (আসেম) যোগ দিতে মঙ্গোলিয়ার রাজধানী উলানবাটরে পৌঁছেছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।
বৃহস্পতিবার স্থানীয় সময় সন্ধ্যা সাড়ে ৭টার দিকে উলানবাটরে চেঙ্গিস খান আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে পৌঁছান প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ও তার সফরসঙ্গীরা।
বিমানবন্দরে প্রধানমন্ত্রীকে লাল গালিচা সংবর্ধনা দেয়া হয়।
সন্ত্রাস-জঙ্গিবাদ বিরোধী অভিযান ও অভিবাসন সংকট মোকাবেলায় করণীয় নিয়ে এশিয়া-ইউরোপ মিটিং- আসেম শীর্ষ সম্মেলনে যোগ দিতে মঙ্গোলিয়া গেছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।
দেশটির রাজধানী উলানবাটোরে দুদিন ব্যাপী এই সম্মেলন শুরু হচ্ছে কাল- শুক্রবার। ৬টার কিছুক্ষণ আগে প্রধানমন্ত্রী ও তার সফরসঙ্গীদের নিয়ে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের বিশেষ ফ্লাইটটি চেঙ্গিস খান বিমানবন্দরে পৌঁছেছে।
এশিয়া ও ইউরোপের ৫৩টি দেশ নিয়ে গঠিত এশিয়া-ইউরোপ মিটিং-আসেম এর ১১তম শীর্ষ সম্মেলনে যোগ দিতে বৃহস্পতিবার সকালে ঢাকা ছাড়েন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। হজরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমান বন্দরে উপদেষ্টা ও মন্ত্রিসভার সদস্যরা তাকে বিদায় জানান।
স্থানীয় সময় সন্ধ্যা ৭ টা ৩০ মিনিটে মঙ্গোলিয়ার রাজধানী উলানবাটোরে পৌঁছান প্রধানমন্ত্রী। চেঙ্গিস খান আন্তর্জাতিক বিমান বন্দরে তাকে স্বাগত জানান মঙ্গোলিয়ার প্রেসিডেন্টের চিফ অব স্টাফ পি. সাগান। সেখানে নিযুক্ত বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত ফজলুল করিমও এসময় উপস্থিত ছিলেন। পরে প্রধানমন্ত্রীকে লাল গালিচা সংবর্ধনা দেয়া হয়।
বিশ্বের ৫০টি দেশের রাষ্ট্র ও সরকার প্রধানদের অংশগ্রহণে ওই সম্মেলনে সন্ত্রাস-জঙ্গিবাদের সমস্যা ও সন্ত্রাসবিরোধী অভিযান বিশেষ গুরুত্ব পাবে। পাশাপাশি বিশ্বব্যাপী অভিবাসন সংকট মোকাবেলা, কানেকটিভিটিসহ বিভিন্ন আঞ্চলিক ও আন্তর্জাতিক বিষয়ও উঠে আসবে।
এছাড়াও জাপানের প্রধানমন্ত্রী শিনজে আবের নেতৃত্বে আরেকটি যৌথ সভা হওয়ার কথা রয়েছে মঙ্গোলিয়ায়। সেখানে যৌথভাবে সভাপতিত্ব করবেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।
১৫ থেকে ১৫ এই দুই দিনের আন্তর্জাতিক শীর্ষ সম্মেলনের প্রথম ও দ্বিতীয় দিনের পূর্ণাঙ্গ অধিবেশনে অংশ নেবেন প্রধানমন্ত্রী। অংশীদারিত্ব ও যোগাযোগ বিষয়ে সম্মেলনে বক্তব্য দেবেন তিনি।
সম্মেলনের ফাকে সুইস প্রেসিডেন্ট, রাশিয়া ও জাপানের প্রধানমন্ত্রী, জার্মান ভাইস চ্যান্সেলর ও ইতালীর পররাষ্ট্র মন্ত্রী, মিয়ানমারের প্রেসিডেন্ট, ভারতের উপ-রাষ্ট্রপতি, ইউরোপীয় কাউন্সিলের সভাপতিসহ ৯টি দেশের নেতাদের সঙ্গে দ্বি-পাক্ষিক বৈঠক করবেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।
বিশ্ব নেতাদের সঙ্গে বৈঠকে দেশে সাম্প্রতিক দুটি সন্ত্রাসী হামলার প্রেক্ষাপটে সন্ত্রাসবাদ ও উগ্রবাদ মোকাবিলায় সরকারের দৃঢ় অঙ্গীকারের বিষয়টি প্রধানমন্ত্রী তুলে ধরবেন। নিরাপত্তা বিষয়েও আলোচনা করার কথা রয়েছে।