দেশের সেবাখাত নিয়ে ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশ-টিআইবির প্রতিবেদনে পাসপোর্ট বিভাগের দুর্নীতির তথ্যকে মনগড়া ও ভিত্তিহীন বলে দাবি করেছে পাসপোর্ট অধিদপ্তর।
এ জরিপ কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয় বলে মন্তব্য করেছেন প্রতিষ্ঠানটির মহাপরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মোহাম্মদ মাসুদ রেজওয়ান।
বৃহস্পতিবার রাজধানীতে আয়োজিতএক সংবাদ সম্মেলনে তিনি একথা বলেন।
এ কর্মকর্তা বলেন, পাসপোর্ট করতে গিয়ে পুলিশ ভ্যারিফিকেশন, ব্যাংক ফি জমা, জন্মসনদ সংগ্রহসহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে ভোগান্তির দায়ও তাদের নয়।
সম্প্রতি সেবা খাতে দুর্নীতি নিয়ে জাতীয় খানা জরিপ ২০১৫ এর রিপোর্ট প্রকাশ করে ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশ-টিআইবি।
রিপোর্টে বলা হয়, সেবাখাতে সার্বিক দুর্নীতির হার ৬৭ দশমিক ৮ শতাংশ। এর মধ্যে পাসপোর্ট নিতে ৭৭.৭ শতাংশ এবং আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী সংস্থার সেবা নিতে ৭৪ দশমিক ৬ শতাংশ সেবা গ্রহণকারীকে দুর্নীতির শিকার হতে হয়েছে।
টিআইবির এ রিপোর্ট প্রকাশের দুই সপ্তাহ পর এমন অভিযোগ নাকচ করল পাসপোর্ট অধিদপ্তর।
দুপুরে সংবাদ সম্মেলনে প্রতিষ্ঠানটির মহাপরিচালক বলেন, এ পর্যন্ত এক কোটি পাঁয়তাল্লিশ লাখ পাসপোর্ট দেয়া হয়েছে।
জরিপে তাদের মধ্যে কমপক্ষে এক শতাংশ মানুষের সাক্ষাতকার নেয়া উচিত ছিল বলে মনে করেন তিনি— কিন্তু মাত্র ৪৮০ জনের সাক্ষাতকার নেয়া হয়েছে যা মোট সংখ্যার মাত্র দশমিক ০০০০৩৩ শতাংশ।
দেশের ৬৪ জেলায় ৬৭ পাসপোর্ট অফিসের একটি অফিসও টিআইবি ভিজিট করেনি এবং পাসপোর্ট প্রক্রিয়ার বিদ্যমান পদ্ধতি সম্পর্কেও তারা খোঁজখবর নেয়নি বলে তিনি অভিযোগ করেন।
আর পাসপোর্ট প্রক্রিয়ার কোনো পদ্ধতিতে ভোগান্তি হলে অধিদপ্তর তার দায় নেবে না বলেও তিনি জানিয়ছেন।