গুলশানে হলি আর্টিজান ও শোলাকিয়ায় জঙ্গি হামলার ঘটনায় নিজেদের নিরাপত্তা নিয়ে এখনো শঙ্কিত সাধারণ মানুষ। আইন শৃঙ্খলা বাহিনীর বাড়তি তৎপড়াতায় কিছুটা স্বস্তি এলেও, শঙ্কা কাটেনি।
গুলশান-বনানীসহ যেসব জায়গায় বিদেশীদের পদচারনা বেশি, অনেকেই চেষ্টা করছেন সেসব স্থানে চলাচল সীমিত রাখতে। আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর তৎপরতার পাশাপাশি, সুষ্ঠু রাজনৈতিক পরিবেশ নিশ্চিত করা গেলে, দেশ থেকে জঙ্গীবাদ একেবারে নির্মূল করা সম্ভব বলেও মনে করছেন অনেকেই।
গত ১ জুলাই গুলশানে হলি আর্টিজান ও ঈদের দিন শোলাকিয়ায় জঙ্গি হামলার পরপরই রাজধানিসহ সারা দেশে বাড়ানো হয়েছে নিরাপত্তা বাহিনীর তৎপরতা। বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ সড়কে নিরাপত্তা চৌকি বসানোর পাশাপাশি, চলছে টহল ও তল্লাশী কার্যক্রম।
জঙ্গি প্রতিরোধে শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, মসজিদ-মন্দিরসহ সব সামাজিক প্রতিষ্ঠানগুলোকেও দেওয়া হয়েছে বিশেষ নির্দেশনা। সরকারের এমন তৎপরতায় নিরাপত্তা নিয়ে জনমনে স্বস্তি আসলেও কিছুটা আতঙ্ক রয়েই গেছে নগরবাসীর।
শপিং মল, অফিস বা রেস্টুরেন্ট, যে যেখানে যাচ্ছে, অজানা শঙ্কায় একটু বাড়তি সতর্কতা থাকছে সবারই।
জঙ্গিদের কাছে পরাজিত হয়ে দেশ যেন আফগানিস্তান-পাকিস্তান না হয় তা প্রতিরোধে, এখনই করনীয় ঠিক করতে সরকারের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন অনেকেই।
এছাড়াও সন্ত্রাসবাদ প্রতিরোধের মত জাতীয় ইস্যুতে সব রাজনীতিবিদ,বুদ্ধিজীবীসহ ধর্ম বর্ণ নির্বিশেষে সকল শ্রেনী পেশার মানুষ এক হয়ে কাজ করবে, এমনটাই প্রত্যাশা সাধারণ মানুষের।