একইব্যক্তি নিজ দেশে পরোয়ানা নিয়ে আরেক দেশে আবার আসামি হলে—ওই দেশের মাটিতেই বিচার শেষে তাকে স্বদেশে হস্তান্তর করা হবে বলে জানিয়েছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খাঁন কামাল। সোমবার সচিবালয়ে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এ কথা বলেন।
তিনি আরো বলেন, একইব্যক্তি উভয়দেশে আসামি হলে তার জন্য এ চুক্তি প্রযোজ্য হবে না।
এর আগে বাংলাদেশ ও ভারতের মধ্যে বহিঃসমর্পণ চুক্তির সংশোধনী প্রস্তাবে অনুমোদন দিয়ে মন্ত্রিসভার নিয়মিত বৈঠক বলা হয়, গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি হলে প্রমাণ উপস্থাপন ছাড়াই বাংলাদেশ ও ভারত আসামি প্রত্যর্পণ করতে পারবে। সংশোধিত চুক্তিটি এ মাসের ২৮ তারিখ স্বাক্ষরিত হবে।
উল্লেখ্য, ২০১৩ সালের ২৮ জানুয়ারি বাংলাদেশ-ভারত বহিঃসমর্পণ চুক্তি হয়, যা কার্যকর হয় সে বছর ২৩ অক্টোবর থেকে চুক্তির ১০ এর ৩ নম্বর অনুচ্ছেদে তথ্যপ্রমাণ উপস্থাপনের বাধ্যবাধকতা ছিল।
যার ফলে ভারতের বিচ্ছিন্নতাবাদী সংগঠন উলফার নেতা অনুপ চেটিয়াকে হস্তান্তরে জটিলতা দেখা হয়, যদিও তার সাজার মেয়াদ অনেক আগেই শেষ হয়। একই জটিলতা দেখা দেয় নারায়ণগঞ্জের ৭ খুন মামলার প্রধান আসামি নূর হোসেনকে নিয়ে।
তবে গত বছরের নভেম্বর তাদের নিজ নিজ দেশে হস্তান্তর করা হয়।