সন্ত্রাস-জঙ্গিবাদের বিরুদ্ধে রাজনৈতিক ঐক্যের পরামর্শ দিয়ে বিশিষ্টজনেরা বলেন, সন্ত্রাসের বিরুদ্ধে জনগণের মধ্যে ঐক্য দেখা গেলেও রাজনৈতিক দলগুলোর ঐক্যবদ্ধ হওয়া এখনও নিশ্চিত নয়। এ বিষয়ে কেন্দ্র থেকে প্রান্তিক পর্যায় পর্যন্ত জঙ্গিবাদের বিরুদ্ধে দলের নেতাকর্মীদের সোচ্চার থাকতে হবে।
পাশাপাশি বিদেশে দেশের ভাবমূর্তি রক্ষায় কূটনৈতিক তৎপরতা বাড়ানো এবং দূতাবাসগুলোর কর্মকাণ্ডে আরও গতি আনারও তাগিদ দিয়েছেন তারা।
সম্প্রতি গুলশান ও শোলাকিয়ায় জঙ্গি হামলার পরিপ্রেক্ষিতে সরকারের নেয়া বিভিন্ন পদক্ষেপ, এ ঘটনায় বর্হিবিশ্বের বাংলাদেশের ভাবমূর্তি, দেশের বর্তমান নিরাপত্তা ব্যবস্থা এবং প্রধানমন্ত্রীর বক্তব্য বিষয়ে কথা বলেন দেশের বিশিষ্টজনেরা।
নিরাপত্তা ও সামরিক বিশ্লেষক অবসর প্রাপ্ত মেজর জেনারেল আব্দুর রশিদের মতে, দেশে জঙ্গিবাদ- সন্ত্রাস দমনে সব শ্রেণী পেশার মানুষকে ঐক্যবদ্ধ হতে হবে। তাই বর্তমানে সবচেয়ে জরুরি জাতীয় ঐক্য।
তবে সরকারের পক্ষ থেকে জাতীয় ঐক্যের কথা বলা হলেও কার্যত রাজনৈতিক দলগুলোর মধ্যেই এ বিষয়ে কোনো অগ্রগতি হয়নি বলেও মনে করেন তিনি।
আরেক বিশ্লেষক এস এম রাশেদ আহমেদ চৌধুরির মতে, সপ্তাহের ব্যবধানে বাংলাদেশে নজিরবিহীন জঙ্গি হামলা কিছুটা হলে দেশের ভাবমূর্তি ক্ষুন্ন হয়েছে।
সন্ত্রাসবাদ এখন বৈশ্বিক সমস্যা উল্লেখ করে তিনি দেশের ভেতরের পাশাপাশি বিদেশে কূটনৈতিক তৎপরতা বাড়ানোর তাগিদ দিয়েছেন। আর এরজন্য প্রতিটি দূতাবাসকে আরও বেশী কার্যকর করার পরামর্শও দেন তিনি।
এদিকে, দেশের নিরাপত্তা বৃদ্ধির ওপর গুরুত্ব দিয়ে জাতীয় স্বার্থে সকল শ্রেণী পেশার মানুষকে সম্পৃক্ত করে ঐক্য গড়ে তোলার কথা বলেছেন বিশেষজ্ঞরা। একই সঙ্গে সামাজিক সচেতনতা বাড়ানোর ওপরও জোর দিয়ে তারা বলছেন, এ কাজে রাজনৈতিক দলগুলোকেই এগিয়ে আসতে হবে।