সন্ত্রাস-জঙ্গীবাদ দমনে সাংস্কৃতিক জাগরণ সৃষ্টির তাগিদ দিয়েছেন বিশিষ্টজনেরা। জঙ্গীবাদকে সামাজিক ও সাংস্কৃতিক অবক্ষয়েরও কারন উল্লেখ করে বলেন, পাঠ্যক্রম থেকে শুরু করে বিভিন্ন ক্ষেত্রেই দেশের ঐতিহ্য ও সংস্কৃতি চর্চ্চা কমে গেছে।
জঙ্গীবাদ দমনে সমাজ, পরিবার থেকে শুরু করে শিক্ষা প্রতিষ্ঠান এবং সাংস্কৃতিক চর্চ্চায় ও গতি আনতে হবে। একই সঙ্গে মুক্তিযুদ্ধের চেতনা ইতিহাস জনগণের সামনে বেশি বেশি তুলে ধরারও পরামর্শ তাদের।
বিগত কয়েক বছরে ব্লগার, লেখক, প্রকাশক, বিদেশী নাগরিক, হিন্দু বৌদ্ধ খ্রীষ্টান পুরোহিত হত্যার পর সম্প্রতি গুলশান ও শোলাকিয়ার ঘটনা যেমন বাংলাদেশের মানুষকে স্তম্ভিত করেছে। তেমনি বিশ্ববাসীকেও নাড়া দিয়েছে সে ঘটনা। জঙ্গিদের পরিচয় প্রকাশের পর ওই ঘটনার জন্য সামাজিক অবক্ষয়কেই দায়ী করা হয়েছে বিভিন্ন মহল থেকে।
বিশিষ্টজনদের মতে, সাংস্কৃতিক চর্চ্চার অভাবও এর জন্য অনেকটা দায়ী। এমন পরিস্থিতি মোকাবেলায় জোড়ালো সাংস্কৃতিক আন্দোলন জরুরি। নিষিদ্ধ ঘোষিত জঙ্গি সংগঠনগুলো রাজনৈতিক দলের ছত্রছায়ায় সারাদেশের শাখা বিস্তার করেছে।
জঙ্গীদের পরিচয়ে এমন তথ্য প্রকাশ করেছে উল্লেখ করে বলেন, শীর্ষ পর্যায় থেকে শুরু করে তৃণমূল পর্যায় পর্যন্ত প্রতিটি রাজনৈতিক দলকে নিশ্চিত করতে হবে তার দলে কোনও জঙ্গি নেই।
রাজনৈতিক ঐক্যের পাশাপাশি সাংস্কৃতিক ঐক্য জরুরি বলে উল্লেখ করেন তারা।
জঙ্গীবাদের বিরুদ্ধে সরকারের নেওয়া পদক্ষেপে সন্তোষ প্রকাশ করে, সাংস্কৃতিক কর্মকাণ্ড পরিচালনায় সরকারের সহযোগিতাও চেয়েছেন তারা।