বিচারককে প্রভাবিত করেই বিচারিক আদালতে জামিন পেয়েছিলেন তারেক রহমান—সেক্ষেত্রে সুবিচার নিশ্চিত হয়নি।
বৃহস্পতিবার দুপুরে সচিবালয়ে সাংবাদিকদের এ মন্তব্য করেছেন আইনমন্ত্রী আনিসুল হক।
আর মামলার অভিযোগে আদালতে আত্মসমর্পণ করতে বললে তারেক অনুপস্থিত ছিলেন— এ সবই প্রমাণ করে তারেক রহমান নির্দোষ নন— এ মন্তব্য করেন আইনমন্ত্রী।
মন্ত্রীর মতে, তারেক রহমান নির্দোষ হলে আত্মসমর্পণ করলে জামিন পেতেন— এক্ষেত্রে অন্য মামলায় তাকে গ্রেপ্তারের কোনো সুযোগও ছিল না।
অর্থপাচার মামলায় নিম্ন আদালতের খালাসের রায় বাতিল করে বিএনপির সিনিয়র ভাইস চেয়ারম্যান তারেক রহমানকে হাইকোর্টের দেয়া ৭ বছরের কারাদণ্ডের প্রতিক্রিয়া দেন আইনমন্ত্রী। নিজ দপ্তরে ব্রিফিংয়ে শুরুতেই তিনি, রায়ের সার্টিফায়েড কপি হাতে পাওয়ার আগ পর্যন্ত পরবর্তী কোনো পদক্ষেপেই নেয়া যাচ্ছে না বলে জানান।
মন্ত্রীর অভিযোগ, তারেক রহমান নির্দোষ হলে আদালতে উপস্থিত হয়ে তা প্রমাণের চেষ্টা করতেন তা না করে বরং নিম্ন আদালতের বিচারককে প্রভাবিত করে তারেক রহমান জামিন পেয়েছিলেন।
এক প্রশ্নের জবাবে মন্ত্রী জানান, এই প্রথম কোনো মামলায় তারেক রহমানের সাজা হওয়ায় তাকে দেশে ফেরত আনার উদ্যোগ নেয়া হচ্ছে। সেক্ষেত্রে যুক্তরাজ্যের সঙ্গে বহিঃসমর্পণ চুক্তি ও ইন্টারপোলের সহযোগিতা নেয়াসহ সব চেষ্টাই সরকার করবে।
আরেক প্রশ্নের জবাবে মন্ত্রী বলেন, লন্ডনে বসে তারেক রহমানের আপিলের কোনো সুযোগ নেই বলে মন্তব্য করেন।
সকালে অর্থপাচার মামলায় নিম্ন আদালতের খালাসের রায় বাতিল করে বিএনপির সিনিয়র ভাইস চেয়ারম্যান তারেক রহমানকে ৭ বছরের কারাদণ্ড দিয়েছে হাইকোর্ট।