ঢাকার চারপাশের নদ-নদীতে প্রতিদিন গড়ে সাড়ে এগারো হাজার টন আবর্জনা পড়ছে আর ২২ হাজার লিটার বিষাক্ত ট্যানারি বর্জ্য মিশছে পানিতে।
এতে গত ত্রিশ বছরে এসব নদ-নদীর পানিতে দ্রবিভূত অক্সিজেনের পরিমাণ ১০ শতাংশ কমেছে।
নৌবাহিনীর এক প্রতিবেদনে এসব তথ্য তুলে ধরা হয়েছে। নদ-নদী দূষণমুক্ত করার পাশাপাশি তীর থেকে অবৈধ স্থপনা উদ্ধার করে ওয়াকওয়ে নির্মাণের সুপারিশ করেছে হয়েছে প্রতিবেদনে।
রোববার বিকেলে নৌ মন্ত্রণালয়ে এ সংক্রান্ত বৈঠকে এসব সুপারিশ তুলে ধরা হয়।
২০০৮ সালে ক্ষমতা গ্রহণের পরপরই অগ্রাধিকারমূলক কাজের মধ্য বর্তমান সরকারের অন্যতম উদ্যোগ ছিল রাজধানীর চারপাশের নদ-নদীর দূষণ মুক্ত করে উদ্ধার করা। সে অনুযায়ী ২০০৯ সালে ঘটা করে বুড়িগঙ্গার তলদেশ থেকে বর্জ্য উত্তোলনের কাজ শুরু করে সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়। একই সঙ্গে নদ-নদীর সীমানা নির্ধারণের পাশাপাশি অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদও শুরু করে। কিন্তু সে উদ্যোগে বছর পার না হতেই থেমে যায়। আগের উদ্যোগ বাস্তবায়ন না হওয়ায় এবার এ কাজ নৌবাহিনীকে দেয়া হয়েছে।
রোববার নৌমন্ত্রণালয়ে এ সংক্রান্ত বৈঠকে রাজধানীর চারপাশের নদ-নদীর বর্তমান অবস্থা কারণ এবং উদ্ধারে করণীয় বিষয়ে কৌশলপত্র উপস্থাপন করে নৌবাহিনী। সেখানে সরকারের সঠিক তদারকির পাশাপাশি জনসচেতনতার অভাবকে দায়ী করা হয়েছে প্রতিবেদনে। আর এ উদ্যোগ বাস্তবায়নে স্বতন্ত্র টাস্কফোর্স গঠন করে সম্মিলিত সহযোগিতা চেয়েছে তারা।
নৌপরিবহন মন্ত্রী শাজাহান খান নিজেদের পরিকল্পনার অভাবকে দায়ী করে বলেন, নৌ বাহিনীকে সব ধরনের সহযোগিতা সরকার দেবে।