রাজধানীর আবাসিক এলাকার অননুমোদনবিহীন বাণিজ্যিক প্রতিষ্ঠান উচ্ছেদ অভিযানের অংশ হিসেবে গুলশানে অভিযান শুরু করেছে রাজধানী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (রাজউক)।
ভ্রাম্যমান আদালতের এ অভিযানে ৭টি রেস্তোরাঁ ও ৩টি র্যা ম্প বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে। ভেঙে ফেলা হয়েছে কয়েকটি রেস্তোরাঁর সামনের অংশ। এদিকে, ক্ষতিগ্রস্থদের অভিযোগ, কোনও নোটিশ ছাড়াই আকস্মিক এ অভিযান চালিয়েছে রাজউক।
রাজউক বলছে, গণমাধ্যমে নোটিশ দেয়ায় আর কোনও প্রয়োজন নেই।
গুলশানের হলি আর্টিজান রেস্তোরাঁয় জঙ্গি হামলার পর জানা যায়, কূটনৈতিক এলাকার রেস্তোরাঁটি ছিল অনুনোমদিত। তখন থেকেই রাজধানী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (রাজউক) আবাসিক এলাকায় অনুমোদনহীন বাণিজ্যিক প্রতিষ্ঠান উচ্ছেদে তৎপর হয়।
গুলশান ও বারিধারা এলাকায় হলি আর্টিজানের মতো ৫৫২টি স্থাপনার কালো তালিকাভূক্ত করে রাজউক।
এরইঅংশ হিসেবে মঙ্গলবার দুপুরে গুলশানে চলে দ্বিতীয় দিনের উচ্ছেদ অভিযান। কয়েকটি রেস্তোরাঁর সামনের অংশ ভেঙে ফেলা হয়। পানি, গ্যাস ও বিদ্যুৎ সংযোগ বিচ্ছিন্ন করার পাশাপাশি ৭টি রেস্তোরাঁ ৩টি র্যা ম্প বন্ধ করে দেওয়া হয়।
রাজউকের এ অভিযানের সমালোচনা করেন রেস্তোরাঁ ব্যবসায়ী ও কর্মচারীরা বলেন, বিকল্প ব্যবস্থা না করে এমন সিদ্ধান্তের বাস্তবায়ন যুক্তিযুক্ত নয়।
ভ্রাম্যমান আদালতের কোনও ধরনের নোটিশ প্রয়োজন হয় না উল্লেখ করে অভিযানের নেতৃত্বদানকারী রাজউকের কর্মকর্তা জানান, এ উচ্ছেদ অভিযান তাদের নিয়মিত কাজের অংশ।
উচ্ছেদ অভিযান বিকাল ৪টা পর্যন্ত চলে। রাজধানীর গুলশান , বনানী ও বারিধারার অভিজাত এলাকায় তালিকা অনুযায়ী পর্যায়ক্রমে এ অভিযান চলবে বলে জানিয়েছে রাজউক।