রাজধানীর কল্যানপুরে জঙ্গি আস্তানায় পুলিশি অভিযান নিয়ে প্রশ্ন তোলা অবান্তর। বিশ্লেষকরা বলছেন, জঙ্গি নির্মূলে আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর পদক্ষেপ এখনও পর্যন্ত প্রশংসনীয় এবং সন্দেহ ও বিতর্কের ঊর্ধ্বে।
তারা এও বলছেন, আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীসহ প্রত্যেককে অর্থাৎ রাষ্ট্র, জনগণ, রাজনৈতিক দল ও বিচার বিভাগকেও নিজ নিজ ভূমিকা যথাযথভাবে পালন করতে হবে।
রাজধানীর কল্যানপুরে পুলিশি অভিযানে হতাহত ৯ জঙ্গির ৮ জনেরই পরিচয় সনাক্ত করেছে আইন-শৃঙ্খলা বাহিনী। এদের প্রত্যেকেরই জঙ্গি সম্পৃক্ততার প্রমাণও রয়েছে আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর কাছে।
জঙ্গিবাদী কর্মকাণ্ড, বিভিন্ন সময়ে নাশকতা ও নিখোঁজের কারণে পুলিশ-র্যা বের তালিকাভুক্ত ছিল তারা। আবার গুলশান, শোলাকিয়ায় হামলাকারী জঙ্গিদের সঙ্গে কল্যাণপুরের জঙ্গিদেরও যোগসূত্র থাকার প্রমাণও মিলেছে।
এসব নিয়ে বরাবরের মতো এবারও নানা প্রশ্ন উঠেছে। এর জবাবও দিয়েছেন আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর কর্মকর্তারা।
বিশ্লেষকরা বলছেন, কল্যাণপুর অভিযানে হতাহতরা যে আসলেই জঙ্গি এটি সন্দেহাতীতভাবে প্রমাণিত। এখনও পর্যন্ত আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর যাবতীয় পদক্ষেপ সংশয়ের ঊর্ধ্বে।
তবে নিজেদের ভূমিকায় আত্মতুষ্ট না থেকে, আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীকে যথাযথ দায়িত্ব পালনের পরামর্শ বিশ্লেষকদের, বিশেষ করে জনআস্থা অর্জনের ক্ষেত্রে।
একইসঙ্গে তারা চান, রাষ্ট্র, জনগণ ও বিচার বিভাগের ভূমিকাও এক্ষেত্রে যথাযথ হোক।
তবে বিশ্লেষকরা আশাবাদী, অসাম্প্রদায়িক চেতনার এ বাংলাদেশে জঙ্গিবাদ কখনোই দীর্ঘ সময়ের জন্য টিকতে পারবে না।